কসবার ট্রেন দুর্ঘটনায় মুফতী ফয়জুল্লাহর শোক, রেলপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান

ফাতেহ ডেস্ক :

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় দুটো আন্তঃনগর ট্রেনের সংঘর্ষের ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মুফতি ফয়জুল্লাহ। তিনি দুর্ঘটনায় নিহতদের আত্মার মাগফেরাত ও আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন। একই সঙ্গে রেলপথে এমন দুর্ঘটনা আর যাতে না ঘটে, সে ব্যাপারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে সরকারের প্রতি আহ্বানও জানিয়েছেন বিশিষ্ট এ আলেম।

সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, বাংলাদেশে সড়কপথের তুলনায় টেকসই, নিরাপদ, পরিবেশসম্মত, সাশ্রয়ী ও দ্রুততম যোগাযোগের মাধ্যম হলো রেলপথ। সড়কপথের উন্নয়নে যেখানে দেশি-বিদেশি ও দাতা সংস্থাগুলো সমানতালে কাজ করে যাচ্ছে সেখানে উপেক্ষিত থাকছে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড। আজকের দুর্ঘটনাই তার প্রমাণ।

মুফতী ফয়জুল্লাহ আরও বলেন, রেলপথের উন্নয়ন ও নিরাপত্তাব্যবস্থায় যথেষ্ট ঘাটতি থাকবার ফলেই এমন দুর্ঘটনা ঘটছে। আমরা চাই, সরকার রেলব্যবস্থার উন্নয়ন ও নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদারে জোরালো ভূমিকা গ্রহণ করবে। প্রয়োজনে এ বিষয়ে আলাদা গবেষণা সেল গঠন করবেন। এতে দেশের জনগণের আস্থা ফিরে আসবে বলে মনে করি।

দুর্ঘটনায় নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশিষ্ট এ আলেম বলেন, নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানোর ভাষা আমাদের নেই। আল্লাহ পাক তাদেরকে সবরে জামিল এখতিয়ার করার তওফিক দান করুন।

আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে তিনি বলেন, তাঁদেরকে যথাযথ এবং উন্নততর চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সরকারকে বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

উল্লেখ্য, সোমবার দিবাগত রাত ৩টায় কসবা উপজেলার মন্দবাগ রেলস্টেশনে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী তূর্ণা নিশীথা এবং সিলেট থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রাম অভিমুখী উদয়ন এক্সপ্রেসের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে অন্তত ১৮ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন কমপক্ষে অর্ধশতাধিক যাত্রী।

ঘটনা তদন্তে এরই মধ্যে ৫টি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে ট্রেনের লেকোমাস্টারসহ তিনজনকে।