বায়ুদূষণে বছরে বিশ্বে ৭০ লাখ, দেশে ১ লাখ মানুষের মৃত্যু

ফাতেহ ডেস্ক

বায়ুদূষণে সারা বিশ্বে বছরে ৭০ লাখ এবং বাংলাদেশে এক লাখের বেশি মানুষের মৃত্যুর তথ্য দিচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এতে শ্বাসকষ্ট, হৃদরোগ ও ক্যান্সারের মতো রোগে আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে। এবিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরে আলোচনা সভায় পরিবেশবিদদের পরামর্শ ইটভাটা প্রশ্নে জরুরিভিত্তিতে নিতে হবে ব্যবস্থা। নইলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার শঙ্কা তাদের।

বায়ু দূষণকে অদৃশ্য ঘাতক হিসেবে বর্ণনা করে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, এর কারণে বছরে মৃত্যুর মুখে পড়েন বিশ্বে ৭০ লাখ মানুষ। আর দেশে এ সংখ্যা এক লাখেরও বেশি মানুষ। ইটভাটা, নির্মাণ সামগ্রীর নানা উপাদান ও যানবাহনের ধোঁয়ায়, বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত বায়ুর দেশের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে বাংলাদেশ। নরওয়েজিয়ান ইনস্টিটিউট ফর এয়ার রিসার্চের তথ্য বলছে, ঢাকায় দূষণের পেছনে ৫৮ শতাংশ দায়ী ইটভাটার। এর পরে আছে যানবাহনের খোয়া, ধুলা ও সীসার উপস্থিতি।

এ অবস্থায় করণীয় ঠিক করতে আলোচনায় বসে কয়েকটি পরিবেশবাদী সংগঠন। এতে অপরিকল্পিতভাবে ইটভাটা স্থাপনের সমালোচনা করে, যে কোনো মূল্যে এসব সরিয়ে ফেলার দাবি তাদের। জরুরিভিত্তিতে বায়ুদূষণ বন্ধে সরকার ব্যবস্থা না নিলে, অদূর ভবিষ্যতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে বলে আশঙ্কা বিশ্লেষকদের।

ইটভাটার দূষণ কমিয়ে আনতে বেশকিছু পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। পাশাপাশি অনুমোদনহীন ইটভাটা বন্ধের উদ্যোগের কথাও জানিয়েছেন তিনি। নতুন প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য শহর নিশ্চিতে জলবায়ু ও পরিবেশ খাতে বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানোর তাগিদও এসেছে সংশ্লিষ্টদের তরফে।

বিজ্ঞাপন