সীমান্তে বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যা, ৫ দিন পর লাশ ফেরত দিলো বিএসএফ

সীমান্তে বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যা, ৫ দিন পর লাশ ফেরত দিলো বিএসএফ

ফাতেহ ডেস্ক:

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার পাড়িয়া সীমান্তের ওপারের ভারতীয় বারোঘড়িয়া ক্যাম্পের বিএসএফ’র গুলিতে নিহত বাংলাদেশী সাহাবুল ইসলামের (৩০) লাশ পাঁচ দিন পর আজ মঙ্গলবার পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দুপুর ২টায় পাড়িয়া সীমান্তের ৩৮৭ মেইন পিলারের জিরো পয়েন্টে উভয় দেশের কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে বৈঠক শেষে বিজিবির কাছে লাশ হস্তান্তর করে বিএসএফ।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার তারাঞ্জুবাড়ী গ্রামের তমিজ উদ্দীনের ছেলে সাহাবুল ইসলামসহ কয়েকজন ব্যাবসায়ী মিলে গত শনিবার ভোর রাতে পাড়িয়া সীমান্তের ৩৮৭ মেইন পিলারের ১’শ গজ বাংলাদেশের অভ্যান্তরে গরু কিনতে যান। ওইসময় ভারতীয় উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুর থানার বারোঘড়িয়া ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি ছুড়ে। এতে বাংলাদেশী গরু ব্যবসায়ী সাহাবুল ইসলাম গুলিবৃদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে নিহত হন। পরে বিএসএফ সদস্যরা নিহতের লাশ টেনে হেঁচড়ে ওপারে তাদের ক্যাম্পে নিয়ে যায়।

সকালে সীমান্তে চরম উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে পাড়িয়া ক্যাম্পের বিজিবি’র পক্ষ থেকে ভারতীয় বারোঘড়িয়া ক্যাম্পের বিএসএফকে পত্র প্রদানের মাধ্যমে তীব্র প্রতিবাদ জানালে ওইদিন দুপুর ২টায় উভয় দেশের কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পাড়িয়া সীমান্তের জিরো পয়েন্টে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে নিহত ব্যবসায়ী সাহাবুলের লাশ ভারতে ময়না তদন্ত শেষে মঙ্গলবার দুপুর ২টায় পাড়িয়া সীমান্তের ৩৮৭ মেইন পিলারের জিরো পয়েন্টে উভয় দেশের কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিএসএফ পাঁচ দিন পর নিহতের লাশ বিজিবির নিকট হস্থান্তর করে।

এ ব্যাপারে ঠাকুরগাঁও-৫০ বিজিবি ব্যাটেলিয়ানের অধিনায়ক লে. কর্নেল সামিউল নবী নয়া দিগন্তকে জানান, দুপুর ২টায় ঘন্টাব্যাপী পাড়িয়া সীমান্তের জিরো পয়েন্টে উভয় দেশের কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে নিহত বাংলাদেশী যুবকের লাশ বিজিবি’র কাছে হস্থান্তর করে বিএসএফ।