কসবা সীমান্তের শূন্যরেখায় খোলা আকাশের নিচে অসহায় ১২ রোহিঙ্গা

ফাতেহ ডেস্ক

ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্ত দিয়ে পুশব্যাকের মাধ্যমে বাংলাদেশে ঠেলে দিয়েছে শিশু ও নারীসহ ১২ রোহিঙ্গাকে। কিন্তু বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বাধার মুখে সীমান্তের শূন্যরেখার ভারতীয় অংশে খোলা আকাশের নিচে অসহায়ভাবে অবস্থান নিয়েছে ওই ১২ রোহিঙ্গা।

বৃহস্পতিবার কসবার বায়েক ইউনিয়নের গৌরাঙ্গলা সীমান্তের ২০৫৩ নম্বর পিলারের কাছ দিয়ে ওই রোহিঙ্গাদের পুশব্যাকের চেষ্টা করে বিএসএফ। দুজন পুরুষ, পাঁচজন নারী ও পাঁচ রোহিঙ্গা শিশু বৃস্পতিবার রাত থেকে এখন সেখানেই বিএসএফ ও বিজিবির প্রহরাবেষ্টিত। সীমান্তে সতর্ক অবস্থায় রয়েছে বিজিবি।

৬০ বিজিবির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা জানান, ২০৫৩ নম্বর পিলারের কাছ দিয়ে ১২ রোহিঙ্গা পুশব্যাকের খবর পেয়ে সীমান্তে অবস্থান নেয় বিজিবি। ফলে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে ঢুকতে পারেনি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত দুই দেশের কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে বৈঠক হলেও এখন পর্যন্ত (শুক্রবার) এর কোনো সমাধান হয়নি। সীমান্তের শূন্যরেখার ভারতীয় অংশে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছে রোহিঙ্গা নাগরিকরা।

পতাকা বৈঠকে নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশের পক্ষে ব্রাহ্মণাবড়িয়া ৬০ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. ইকবাল হোসেন এবং ভারতের পক্ষে ৭৪ বিএসএফের অধিনায়ক লে. কর্নেল কমল কুমার।

এর আগে আরও দুবার উপজেলার গোপিনাথপুর ইউনিয়নের কাজিয়াতলী ও ধ্বজনগর সীমান্ত দিয়ে দুই দল রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে পুশব্যাকের চেষ্টা করেছিল বিএসএফ। বিজিবির বাধার মুখে সফল না হয়ে পরে কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদের ফিরিয়ে নেয় বিএসএফ।