প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে টেলিগ্রাম-হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করছে বেফাক

ফাতেহ ডেস্ক:

প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে এবার টেলিগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ এবং জিমেইল ব্যবহার করছে কওমি শিক্ষাবোর্ড বেফাক।

পরীক্ষা শুরুর মাত্র দশ মিনিট আগে উল্লেখিত অ্যাপের নাধ্যমে সারাদেশের এক হাজার ১৮৬টি কেন্দ্রে প্রশ্নপত্র পাঠানো হচ্ছে।প্রতিটি কেন্দ্রের নির্ধারিত পরীক্ষকরা প্রশ্নপত্র সাথে সাথে ছাপিয়ে পরীক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করছেন। কেন্দ্রের বৈদ্যুতিক সমস্যা সমাধানে প্রস্তুত রাখা হয় বিকল্প বিদ্যুৎ।

এ বছর বেফাক পরিচালিত ১ হাজার ১৮৬টি কেন্দ্রে দুই লাখ আট হাজার ৯৯৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছেন। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্র এক লাখ দুই হাজার ৫৮৪ জন এবং ছাত্রী এক লাখ ছয় হাজার ৪০৯ জন।

বেফাকের মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক গণমাধ্যমকে বলেন, কওমি মাদরাসায় প্রশ্ন ফাঁস না হওয়াটা আমাদের ঐতিহ্য ও গর্বের বিষয়। গত বছর যা ঘটেছিল তা অনাকাঙ্ক্ষিত। ওই সময় সাথে সাথে আমরা ব্যবস্থাও গ্রহণ করেছিলাম। আগামীতে আর যাতে প্রশ্ন ফাঁসের মতো ঘটনা না ঘটে এ জন্যই এমন পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, এ বছর পরীক্ষামূলক শুধু এক জামাতের (শ্রেণীর) পরীক্ষার প্রশ্নপত্র পরীক্ষা শুরু হওয়ার ১০ মিনিট আগে হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম বা জিমেইলে পাঠানো হচ্ছে। ধারাবাহিকভাবে সব-কটি জামাতের পরীক্ষা এ প্রক্রিয়ায় নেয়া হবে।

 

বিজ্ঞাপন
আগের সংবাদইসলামফোবিয়া ‘মহামারী’ পর্যায়ে পৌঁছে গেছে : জাতিসঙ্ঘ মহাসচিব
পরবর্তি সংবাদসারাদেশে করোনায় গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ১৬, শনাক্ত ২১৮৭