মাদরাসাছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণ : এক রাজমিস্ত্রির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

ফাতেহ ডেস্ক

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় মাদরাসাছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণের ঘটনায় এক রাজমিস্ত্রিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। বুধবার চট্টগ্রামের প্রথম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মশিউর রহমান খান এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত মাহমুদুর রহমান হায়দার পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি। তিনি কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলার শীলখালী ওয়ার্ডের বজল আহমদের ছেলে। রায় ঘোষণার পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ৪ আগস্ট বাঁশখালী উপজেলার চাম্বল গ্রাম থেকে নিখোঁজ হন দশম শ্রেণির এক মাদরাসাছাত্রী। এ ঘটনায় তার বাবা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

পরে পুলিশ চট্টগ্রামের কালুরঘাট হামিদচর এলাকা থেকে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে এবং মাহমুদুরকে গ্রেফতার করে।

রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি জেসমিন আক্তার জাগো নিউজকে জানান, মাহমুদুর ওই মাদরাসাছাত্রীর বাড়ি নির্মাণের কাজ করছিলেন। এ ঘটনায় কিশোরীর বাবা অপহরণ, ধর্ষণ ও মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে মাহমুদুরকে আসামি করে মামলা করেন।

ওই মামলায় ২০১৬ সালের ২৭ অক্টোবর অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। ২০১৭ সালের ২৭ আগস্ট আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। মামলায় সাতজনের সাক্ষ্য নেয়া হয়।

আদালত আসামিকে অপহরণের দায়ে ১৪ বছর এবং ধর্ষণের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেন। একই সঙ্গে পৃথক দুই ধারায় ২০ হাজার টাকা করে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।