মাহাথিরের পূর্ব-পুরুষ (পিতামহ) চট্টগ্রামের!

আবুল হুসাইন আলে গাজী

হ্যাঁ। শৈশব থেকে আমিও এরকমই শুনে আসছি৷ তথ্যটির বিস্তারিত হলো, জনাব মাহাথির মুহাম্মদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাবর্তন অনুষ্ঠানের এক বক্তব্যে বলেছিলেন, “চট্টগ্রামের কাপ্তাই রাঙ্গুনিয়ার কোন একটি গ্রামে আমার দাদার বাড়ি ছিলো এবং দাদা পরবর্তীতে মালয়েশিয়াতে বসতি স্থাপন করেন ৷”

তার এই কথার সূত্রধরেই খোঁজ নিয়ে যানা যায়, চট্টগ্রাম জেলার রাঙ্গুনিয়া উপজেলাধীন চন্দ্রঘোনা ও কাপ্তাইগামী সড়কের পূর্বে কর্ণফুলী নদীর তীরে অবস্থিত একটি গ্রাম মরিয়মনগর। ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ দিকে এ গ্রামের এক যুবক ব্রিটিশ শাসিত মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমান। তিনি ছিলেন জাহাজের নাবিক। মালয়েশিয়ায় আলোর সেতার নামক স্থানে গিয়ে এক মালয় রমনীর সঙ্গে সম্পর্ক করে বিবাহ বন্ধে আবদ্ধ হন। তাদের ঘরেই ১৯২৫ সালে জন্ম নেন আধুনিক মালয়েশিয়ার রূপকার মাহাথিরের পিতা মোহাম্মদ ইস্কান্দার।

তাই বলা যায় মাহাথিরের রক্তে মিশে আছে চট্টগ্রামের রক্ত। সে কারণেই বাংলাদেশের জন্য মাহাথিরের আলাদা ভালোবাসা রয়েছে বলে ধারণা করা হয়। সৌদি আরবের পর মালয়েশিয়াতেই সর্বাধিক বাংলাদেশী প্রবাসী আছেন। মালয়েশিয়াতে বাংলাদেশী শ্রমিক নেওয়ার ধারা শুরু হয়েছিল মহাথিরের বিগত (১৯৮১-২০০৩) শাসনামলে৷

মহাথিরের এমন তথ্য অবিশ্বাস্য নয়৷ কারণ, আর্জেন্টিনার সাবেক প্রেসিডেন্ট স্লিম কার্লস (এখনো জীবিত) হচ্ছেন একজন সিরিয়ান (আরব) মুসলিম অভিবাসী দম্পতির ছেলে৷ প্রসঙ্গত, জেদ্দায় আমি আবদুস সালাম হাশেমী নামের এমন এক সৌদি বৃদ্ধের সাক্ষাত পেয়েছি, যার মরহুম পিতা ছিলেন চট্টগ্রামের এবং মা সৌদি৷

বিজ্ঞাপন
আগের সংবাদহেফাজতের আন্দোলন,হাজারো ভাইয়ের ত্যাগ ও শহীদের রক্ত নিয়ে উপহাস করবেন না
পরবর্তি সংবাদবাংলাদেশ বিশ্বে ৫৭তম মহাকাশে স্যাটেলাইট পাঠানোর দেশ