রমজানকে স্বাগত জানাতে আরব দেশগুলোর অনেকেই ফানুস সাজাচ্ছেন পরম আনন্দে

তামীম রায়হানঃ

আরব দেশগুলোতে রমজানের সাজসজ্জায় ফানুসের বিকল্প নেই। যদিও বাংলায় ফানুস বলতে যা বুঝায়, এর সঙ্গে আরবি ফানুসের অনেক তফাত রয়ে যায়। রমজানের সঙ্গে এই আরবীয় ফানুসের সম্পর্ক কী, তা নিয়ে নানারকম গবেষণা হয়েছে। তবে অনেকে বলে থাকেন, মিসরে ফাতেমি বংশীয় সুলতানরা এটির প্রচলনে বেশ ভূমিকা রাখেন।
রমজান উপলক্ষে আরব অঞ্চলের হাট-বাজারে দেখা মেলে রঙ বেরঙের নানারকম ফানুসের। আর এই ফানুসের রঙিন আলোকসজ্জায় আরব দেশগুলোর রমজান রজনী এক অন্যরকম আনন্দময় আবহে জেগে থাকে। তারাবিহ পড়ে দু মুঠো খেয়ে ঘুম আবার সেহরির সময় উঠে ডাকাডাকি- রমজান মাসে এমন ঘুম আর ভোজনের বাংলাদেশি নৈশযাপন শুনলে আরবরা অবাক হয়ে বলে, ‘শুনু হাজা ইয়া বাঙালি!’
আর কদিন পরই রমজান। তাই রমজানকে স্বাগত জানাতে অনেকে নিজেদের বাসাবাড়ির সামনে ফানুস সাজাচ্ছেন পরম আনন্দে। মুসলমানদের এই ঐতিহ্য মনে রেখে মিসরে আযরা মারইয়াম গির্জার প্রধান ধর্মযাজক নিজের বাসার বেলকনিতেও ঝুলিয়েছেন রমজানের এই ফানুস।
ধর্মে ধর্মে এমন শ্রদ্ধা ও সম্প্রীতি ছড়িয়ে পড়ুক বিশ্বময়, রমজানের কল্যাণে শান্ত হোক এই উত্তপ্ত সময়, এই শুভলগ্নে এটুকু প্রত্যাশা নিশ্চয়ই খুব বেশি নয়।

বিজ্ঞাপন
আগের সংবাদদেওবন্দ থেকে ফেরার পথে আখাউড়ায় আটক, আদালতে জামিন
পরবর্তি সংবাদবরিশালে মাথায় মল ঢেলে মাদরাসা সুপারকে লাঞ্ছনা