
রাকিবুল হাসান :
বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদ। চলনে-বলনে শান্ত ও বিনম্র। পড়ালেখায় দরুণ উদ্যমী ও মেধাবী। চোখ এবং বুকজুড়ে ইঞ্জিনিয়ার হবার স্বপ্ন তাড়া করে বেড়াত সবসময়। সমসাময়িক ইস্যুতে ফেসবুকের ওয়ালে পেশ করতো নিজের সুচিন্তিত ও যৌক্তিক মতামত। সর্বশেষ ৫ অক্টোবর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে সই করা কিছু চুক্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলে পোস্ট করেছিল ফাহাদ। এই পোস্টই কাল হলো তার।
পোস্টের জেরে নৃশংস নির্যাতন। অবহেলায় মৃত্যু। যারা তার নির্যাতনে শামিল, তাদের বিচার চেয়ে উত্তাল হয়ে উঠলো দেশ। মুনাজাত, গায়েবি জানাজা, মানবন্ধন হয়ে উঠলো আন্দোলন ও প্রতিবাদের ভাষা। ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে, সড়কে সড়কে একই শ্লোগান, একই ধ্বনি—আবরার হত্যার বিচার চাই। এইভাবে না জাগলে ফাহাদের কথা কেউ জানতাম না আমরা। ফাহাদের খুনীরা হয়তো দাঁত কেলিয়ে টিএসসিতে, বুয়েটের শ্যামল প্রাঙ্গণে এখনো কলুষ ছড়িয়ে বেড়াত। রাতের আঁধার চিরে আবারও হয়তো হলের কোনো রুমে নির্যাতিত ছাত্রের কাতর ধ্বনি দেয়ালে দেয়ালে মিশে যেতো।
আবরার ফাহাদের জন্য জেগেছিল দেশ। এই স্মৃতিটুকু জমিয়ে রাখতে আমাদের এই প্রয়াস। ফাতেহের দেয়ালে চেতনা হয়ে টাঙানো থাকুক কিছু ছবি। আমাদের পরের প্রজন্ম দেখবে—তাদের সময়ে তারাও নেমে আসবে আমাদের অনুসরণে। আবরারের স্মৃতি জাদুঘরে চলুন প্রবেশ করি।
১
শেরেবাংলা হলের সিসিটিভি ক্যামেরার ১৫ মিনিট দুই সেকেন্ডের একটি ভিডিও ফুটেজ। এটাকে বলা হয় আবরার হত্যাকাণ্ডের পুরো ভিডিও ফুটেজ। মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) রাতে ভিডিও ফুটেজটি প্রকাশিত হয়।
২
ফেসবুকে আবরার ফাহাদের শেষ পোস্ট। এই পোস্টের কারণেই তাকে নির্যাতন করা হয়।
৩
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রধান সোহেল মাহমুদ বলেছেন,’ফাহাদের হাতে, পায়ে ও পিঠে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এই আঘাতের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে। আঘাতের ধরন দেখে মনে হয়েছে ভোঁতা কোনো জিনিস যেমন বাঁশ বা স্টাম্প দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। শরীরের পেছনে, বাম হাতে ও কোমর থেকে পায়ের নিচ পর্যন্ত আঘাতের কালো দাগ ছিল।

৪
৭ অক্টোবর সকাল। ফাহাদ হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত এই বিক্ষোভ। রাজু ভাস্কর্য থেকে বুয়েট অভিমুখে। এতে আছেন ডাকসুর ভিপি ও কোটা আন্দোলনের নেতা নুরুল হক নুর।

৫
আবরার ফাহাদ হত্যার বিচার দাবিতে রাজশাহী-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ৭ অক্টোবর সোমবার দুপুরে এবং বিকালে দু’দফা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নিয়ে শিক্ষার্থীরা এ অবরোধ করেন। প্রায় ১ ঘণ্টা ধরে অবরোধ চলে।

৬
আবরার ফাহাদের হত্যাকারীদের বিচার দাবিতে কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ৭ অক্টোবর সোমবার বেলা তিনটা থেকে সাড়ে তিনটা পর্যন্ত আধা ঘণ্টা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনের মহাসড়কে মই ফেলে অবরোধ করে রাখে।

৭
আবরার ফাহাদ হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) শিক্ষার্থীরা। ৭ অক্টোবর সোমবার দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে নগরীর খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এই কর্মসূচি পালন করে তারা।

৮
আবরার ফাহাদ হত্যার ঘটনায় চকবাজার থানায় জিডি করেছে বুয়েট প্রশাসন। তবে জিডিতে আবরারকে হত্যা করা হয়েছে এমনটি উল্লেখ করা হয়নি। জিডিতে আবরারের হত্যাকে অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
৭ অক্টোবর সোমবার ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. সাইদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

৯
একজন বাবার কাছে সবচে কঠিন সন্তানের লাশ কাঁধে নেয়া। বাবারা সহজে কাঁদে না; কিন্তু যখন বাবার চোখে জল নামে, পৃথিবীটা তখন কাঁপে। কেউ টের পায়, কেউ পায় না।

১০
আবরার ফাহাদ হত্যার বিচার দাবিতে উত্তাল ক্যাম্পাস। ৮ অক্টোবর মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে দ্বিতীয় দিনের মতো আন্দোলনে নেমেছেন বুয়েটের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

১১
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গ কথা বলছেন বুয়েটের ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান। এসময় তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি বুয়েট ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতির প্রয়োজন নেই।’
৮ অক্টোবর মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার পর ফাহাদ হত্যার প্রতিবাদে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে এ মন্তব্য করেন তিনি।

১২
ফাহাদ ছিল বুয়েটের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের (১৭তম ব্যাচ) শিক্ষার্থী। শেরে বাংলা হলের এই ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন। রুমে সবাই আছে। পরে আছে আবরারের ব্যবহৃত জিনিসপত্র। ফাহাদ লেখা ট্রাংক। পরে আছে পড়ার টেবিল। সবই আছে শুধু নেই আবরার। বেঁচে থাকলে হয়তো এই চেয়ারে বসেই পড়াশোনায় ব্যস্ত থাকতেন।

১৩
৮ অক্টোবর মঙ্গলবার সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে ফাহাদের লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স তার গ্রাম রায়ডাঙ্গায় পৌঁছলে সেখানে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের সৃষ্টি হয়। গ্রামবাসী সবাই কান্নায় ভেঙে পড়েন। আবরারের স্বজনরা হাউমাউ করে কেঁদে ওঠেন। লাশ সামনে রেখে গ্রামের তরুণরা মিছিল শুরু করেন। আবরারের খুনিদের বিচার দাবি করেন।
ছেলের অকাল মৃত্যুতে বিলাপ করতে করতে আবরারের মা বলেন, ‘আমার বেটা লাখে একটাও হয় না রে…। সবার ঘরে বেটা থাকতে পারে, আমার বেটার মতো বেটা ছিল না। আমার বেটা কোনো দিনও জোরে (উচ্চস্বরে) কারও সঙ্গে কথা বলে নাই। কোনো রাজনীতির মিছিলে যায় নাই। যেইখানে রাজনীতির আলাপ করে সেইখানেও যায় নাই। আমার বেটা শুধু লেখাপড়া নিয়াই থাকত। আমার বেটারে কেড়ে নিয়ে যারা আমার বুক খালি করল আমি তাদের শাস্তি চাই।’

১৪
আবরার হত্যায় মোনাজাত হয়ে উঠেছে আন্দোলনের ভাষা। ৮ অক্টোবর মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে অনুষ্ঠিত হয় আবরার ফাহাদের গায়েবানা জানাজা। জানাজায় ঢাবি কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ভিপি নুরুল হক নুরুসহ আন্দোলনরত হাজার হাজার শিক্ষার্থী অংশ নেন। জানাজার পর আবরারের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক আখতার হোসেন।

১৫
বরিশালের বিএম কলেজে আবরার ফাহাদের গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়া হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থীরা’। ৮ অক্টোবর মঙ্গলবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ মসজিদ ময়দানে আবরারের রুহের শান্তি ও মাগফেরাত কামনায় গায়েবানা জানাজার নামাজ আদায় করে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

১৬
আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের প্রায় ৩৬ ঘণ্টা পর শিক্ষার্থীদের সামনে এলেন বুয়েট ভিসি অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম। বেঁধে দেয়া সময় শেষে ৮ অক্টোবর মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার পরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সামনে হাজির হন ভিসি। এসেই শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পড়েন ভিসি। এ সময় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ভিসি বলেন, তোমরা যা দাবি দিয়েছ তোমাদের দাবির সঙ্গে অ্যাগ্রি (একমত) করছি। আমরা নীতিগতভাবে সব দাবি মেনে নিচ্ছি।
এ সময় শিক্ষার্থীরা ভিসিকে দাবিগুলো পড়ে শুনিয়ে ঠিক কোন কোন দাবি মানা হল- তা জানতে চাইলে বিষয়টি এড়িয়ে চলে যেতে চান ভিসি।

১৭
আবরার ফাহাদ হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি জানিয়েছে জাতিসংঘ। ৯ অক্টোবর বুধবার ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ-ডিকাব আয়োজিত ডিকাব টক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সেপ্পো এ দাবি জানান।

১৮
আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার প্রতিবাদে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শহীদ মিনারে অবস্থান নিয়েছেন এক শিক্ষার্থী। পূজার ছুটিতে ক্যাম্পাস বন্ধ থাকলেও প্রতিবাদ জানাতে একাই শহীদ মিনারে অবস্থান নিয়েছেন খালেদ সাইফুল্লাহ নামে পরিসংখ্যান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ওই শিক্ষার্থী। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে অনুমতি না নেয়ায় সেখান থেকে তাকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে।
৮ অক্টোবর মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের পাদদেশে চার ঘণ্টা অবস্থান করেন তিনি। এ সময় ‘আবরার হত্যার বিচার চাই’, ‘আমাকে মারলে বাংলাদেশই মরবে’, ‘ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করুন’, ‘আমি রাষ্ট্রদ্রোহী নই’, ‘আমি কোনো দল করি না’ সংবলিত নানা পোস্টার প্রদর্শন করেন খালেদ সাইফুল্লাহ।

১৯
আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার প্রতিবাদ ও বিচার দাবিতে নোয়াখালীতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মানববন্ধনে বাধা দিয়েছে পুলিশ। ৮ অক্টোবর মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে টাউন হল মোড়ে এই ঘটনা ঘটেছে। এ সময় তাদের ধাওয়া ও লাঠিচার্জ করে ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ।

২০
আবরার ফাহাদ হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। ৮ অক্টোবর মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় ঢাকা কলেজের প্রধান ফটকের সামনে এই কর্মসূচি পালিত হয়। এতে ঢাকা কলেজসহ অধিভুক্ত সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।

২১
আবরার ফাহাদকে হত্যার ঘটনায় বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ (ঢাবি) দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মতো সরব হয়েছে জাতীয় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণও। ১০ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বিভিন্ন সংগঠন, রাজনৈতিক দল প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন, সংবাদ সম্মেলন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে।

২২
আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। ৭ অক্টোবর সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে মানববন্ধন করেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

২৩
আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থীরা। ৮ অক্টোবর মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বেরোবি ক্যাম্পসের সামনে ঢাকা-কুড়িগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করে শতাধিক শিক্ষার্থী।

২৪
আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতে প্রতিবাদ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) শিক্ষার্থীরা। ৮ অক্টোবর মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শতাধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে এ কর্মসূচি পালিত হয়।

২৫
আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার বিচার দাবি করেছে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এ দাবিতে ৮ অক্টোবর মঙ্গলবার বিকেল ৪টা থেকে ৫টা পর্যন্ত দিনাজপুর-রংপুর মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে তারা।

২৬
দেয়াল লিখনে আবরার ফাহাদ হত্যার প্রতিবাদ

২৭
আবরার ফাহাদ হত্যার প্রতিবাদে প্রতীকী মানব বন্ধন।

২৮
আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট) শিক্ষার্থীরা। ৮ অক্টোবর মঙ্গলবার সকালে গাজীপুরে ডুয়েট ক্যাম্পসের সামনে ঢাকা-শিমুলতলী সড়কে দাঁড়িয়ে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধন করে তারা।

২৯
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিস সিলেট মহানগরীর উদ্যোগে আবরার ফাহাদ এর হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল। বুধবার (৯ অক্টোবর) বিকেলে বিক্ষোভ-মিছিলটি নগরীর কোর্ট পয়েন্ট থেকে বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবার কোর্ট পয়েন্টে এসে শেষ হয়।

৩০
আবরার ফাহাদকে নির্মমভাবে হত্যা করার প্রতিবাদে বরিশালে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন। ৯ অক্টোবর বুধবার বিকেলে নগরীর সদরোডস্থ অশ্বিনী কুমার হল চত্বরে সংগঠনের বরিশাল জেলা ও মহানগর শাখার আয়োজনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

৩১
আবরার ফাহাদ হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র আন্দোলন পিরোজপুর জেলা (দক্ষিণ) শাখা। ১০ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দুপুরে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় বিক্ষোভ মিছিলটি বের করে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে স্থানীয় শহীদ মিনার চত্বরে প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয় মিছিলকরীরা।

৩২
বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিস ঢাকা মহানগরের উদ্যোগে আবরার হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল। ৮ অক্টোবর, মঙ্গলবার।

৩৩
কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় পারিবারিক কবরস্থানে চিরঘুমে শায়িত বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তৃতীয় জানাজা শেষে গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়ার কুমারখালীর উপজেলার কয়া ইউনিয়নের রায়ডাঙ্গা কবরস্থানে আবরারকে দাফন করা হয়। এর আগে সকাল সাড়ে ৬টায় কুষ্টিয়া শহরের পিটিআই রোডস্থ আল-হেরা জামে মসজিদে ফাহাদের দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সোমবার রাত ১০টার দিকে বুয়েট ক্যাম্পাসে তার প্রথম জানাজা সম্পন্ন হয়।
আমরা তার মাগফেরাত কামনা করছি।

