
আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
আনুষ্ঠানিকভাবে কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই এমন আরব উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে একটি আগ্রাসনবিরোধী চুক্তি করতে চাচ্ছে ইসরাইল। তবে এ সংক্রান্ত প্রস্তাবের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
শনিবার টুইটারে দেয়া এক পোস্টে ইসরাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরায়েল কার্টজ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে সম্প্রতি একটি রাজনৈতিক উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে যাচ্ছি আমরা। আরব দেশগুলোর সঙ্গে একটি আগ্রাসনবিরোধী চুক্তি করতে চাচ্ছি। এই ঐতিহাসিক উদ্যোগে সংঘাতের অবসান ঘটবে এবং শান্তি চুক্তি সই হওয়ার আগ পর্যন্ত বেসামরিক লোকজনকে সহযোগিতা বাড়াতে সুযোগ করে দেবে।
কার্টজ বলেন, এ নিয়ে সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে উপস্থিত থাকার সময় ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিদায়ী দূত জেসন গ্রিনব্লাট ও নাম প্রকাশ না করা আরব পররাষ্ট্র মন্ত্রীদের সঙ্গে তিনি আলোচনা করেছেন।
আরব দেশগুলোর সঙ্গে ইসরাইলের শান্তি চুক্তির ক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে আছে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে দেশটির অবৈধ দখলদারিত্ব। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের প্রভাব ঠেকাতে অবৈধ দেশটির সঙ্গে আরবদের ঘনিষ্ঠতা বাড়ছে। কেবল জর্ডান ও মিসরের সঙ্গে শান্তি চুক্তি রয়েছে দখলদার ইসরাইলের।
তবে আরব দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের প্রকাশ্য আভাস সম্প্রতি পাওয়া যাচ্ছে। বছরখানেক আগে মাসকাটে ওমানের সুলতান কাবোসের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সবাইকে অবাক করে দেন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু। গত জুলাইতে কার্টজ বলেন, ওয়াশিংটন সফরে বাহরাইনি পররাষ্ট্র মন্ত্রীর সঙ্গে প্রকাশ্যে বৈঠক করেছেন তিনি। জুনে বাহরাইনে ইসরাইলি-ফিলিস্তিনি শান্তি নিয়ে মার্কিন নেতৃত্বাধীন অর্থনৈতিক সম্মেলনে উপস্থিত হন একদল ইসরাইলি সাংবাদিক।
কিন্তু জুলাইয়ে আরব দেশগুলো থেকে একদল অতিথি ইসরাইল সফরে গেলে ফিলিস্তিনিরা তাদের প্রতিরোধ করেন। এসব আরবদের প্রতি চেয়ার ও জুতা নিক্ষেপ করেন কয়েক দশক ধরে নিপীড়নের শিকার ফিলিস্তিনিরা।
