ইউরোপিয়ানদের হুমকি সত্ত্বেও কুর্দিদের বিরুদ্ধে অভিযান চলবে : এরদোগান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে একটি নিরাপদ অঞ্চল গঠন করতে কুর্দি গেরিলার (ওয়াইপিজি ) বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালানোর কারণেফ্রান্স ও জার্মান তুরস্কের কাছে অস্ত্র রফতানি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। খবর দ্য ডনের।

ফ্রান্সের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছে, কুর্দি গেরিলাদের বিরুদ্ধে যেসব অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম তুর্কি সেনারা ব্যবহার করতে পারেন, তার সবই আঙ্কারার কাছে রফতানি করা বন্ধ থাকবে। এর কয়েক ঘণ্টা আগে জার্মান সরকার তুরস্কের কাছে অস্ত্র রফতানি স্থগিত রাখার ঘোষণা দেয়। জার্মানি হচ্ছে তুরস্কের প্রধান অস্ত্র সরবরাহকারী দেশ।

এর জবাবে রোববার এক ভাষণে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান বলেছেন, ইউরোপিয়ানদের এ অস্ত্র নিষেধাজ্ঞায় কুর্দি সন্ত্রাসীদের ওপর চালানো সামরিক অভিযান বন্ধ হবে না। এসব হুমকি সত্ত্বেও কুর্দিদের বিরুদ্ধে অভিযান চলবে। ইতিমধ্যে সেখানে ২৪টি গ্রাম কুর্দিশূন্য করা হয়েছে। সেখানে তুরস্কে আশ্রয় নেয়া সিরীয় শরণার্থীদের পুনর্বাসন করা হবে।

উল্লেখ্য, তুরস্কের সামরিক বাহিনী গত বুধবার সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে ওয়াইপিজি গেরিলা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে। অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার পর ইউরোপিয়ানরা অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আগের সংবাদবিশ্বে মুসলিম উদ্বাস্তু কেনো বেড়েই চলেছে
পরবর্তি সংবাদআবরার হত্যায় সম্পৃক্ত থাকায় অমিত সাহাকে ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার