
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ইজরাইল আফ্রিকান ইউনিয়নের পর্যবেক্ষকের মর্যাদা পেলেও ওই মহাদেশের ১৩টি দেশ অর্থাৎ দক্ষিণ আফ্রিকা, তিউনিসিয়া, ইরিত্রিয়া, সেনেগাল, তানজানিয়া, নাইজার, কোমোরোস, গ্যাবন, নাইজেরিয়া, জিম্বাবুয়ে, লাইবেরিয়া এবং সিশেল অ্যান্ড নাইজার এই ইউনিয়নের পর্যবেক্ষক হিসেবে ইজরাইলকে অন্তর্ভুক্তির তীব্র বিরোধিতা করেছে। এ দেশগুলো বলেছে, ইজরাইলের বিরুদ্ধে আলজেরিয়া যে পদক্ষেপই নেবে তার প্রতি তাদের সমর্থন থাকবে। এর আগে নামিবিয়া সরকারও ইজরাইলকে আফ্রিকান ইউনিয়নের পর্যবেক্ষকের মর্যাদা দেয়ার বিরোধিতা করে বলেছিল এ পদক্ষেপ আফ্রিকান ইউনিয়নের নীতিমালা ও লক্ষ্যের পরিপন্থী।
আলজেরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রামতানে লা মামরা বলেছেন অন্য দেশগুলোর সঙ্গে কোনো রকম পরামর্শ না করেই ইজরাইলকে এই ইউনিয়নের পর্যবেক্ষকের মর্যাদা দেয়া হয়েছে। তাই আমরা এ ব্যাপারে নীরব বসে থাকতে পারি না। এর আগেও ইজরাইল আফ্রিকান ইউনিয়নের পর্যবেক্ষকের মর্যাদা লাভ করেছিল কিন্তু ২০০২ সালে সেই মর্যাদা কেড়ে নেয়া হয়েছিল।
গত ২২ জুলাই ইজরাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এক বিবৃতিতে জানান তারা আফ্রিকান ইউনিয়নে পর্যবেক্ষকের মর্যাদা লাভ করেছে। ইথিওপিয়া, বুরুন্ডি এবং চাদে নিযুক্ত ইজরাইলের রাষ্ট্রদূত অ্যালেলি আদমাসু আফ্রিকান ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মুসা ফাকি মাহামাতের কাছে তার পরিচয়পত্র পেশ করেছে।
যে ১৪টি দেশ আফ্রিকান ইউনিয়নে ইসরাইলের সংশ্লিষ্টতার তীব্র বিরোধিতা করেছে তারা প্রভাবশালী দেশ। বিশেষ করে দক্ষিণ আফ্রিকা, নাইজেরিয়া ও আলজেরিয়া ইজরাইলের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থানে রয়েছে। এ অবস্থায় আফ্রিকান ইউনিয়ন তাদের সিদ্ধান্ত পুনর্মূল্যায়ন করতে বাধ্য হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
