
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
দোর্দণ্ড প্রতাপশালী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহুর দীর্ঘ এক যুগের শাসন শেষ হচ্ছে। নেসেটে মাত্র ৬টি আসন নিয়ে ইজরাইলের নতুন প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন উগ্র জাতীয়তাবাদী নাফতালি বেনেট। ধারণা করা হচ্ছে, এতে ফিলিস্তিন সংকট আরো গভীর হবে।
কট্টরপন্থি নাফতালি কখনোই দ্বিরাষ্ট্রনীতিকে সমর্থন জানাননি। একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের তীব্র বিরোধীও বেনেট। মার্কিন বংশোদ্ভূত এই ইজরাইলি স্পেশাল ফোর্সের সাবেক কমান্ডো। ২০০৫ সালে মিলিওনিয়ার এই প্রযুক্তি উদ্যোক্তা নিজের স্টার্টআপ বিক্রি করে রাজনীতিতে নামেন। পরের বছর নেতানিয়াহুর চিফ অব স্টাফ নির্বাচিত হন। ২০১০ সালে দখলকৃত পশ্চিমতীরে ইহুদি সেটেলারদের হয়ে লবিং করা ইয়েসা কাউন্সিলের প্রধান হন তিনি। দায়িত্ব পালন করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবেও। সেক্ষেত্রে ফিলিস্তিনে ইজরাইলি আগ্রাসন আরো তীব্র হবে, তা বলাই বাহুল্য।
তাই ইজরাইলে ক্ষমতার পালাবদলেও পরিস্থিতির খুব একটা উন্নতি হবে না মনে করে নিজেদের জন্য কোন আশার আলো দেখছে না ফিলিস্তিনিরা।
পিএলও কর্মকর্তা বাসাম আল সালহি বলেন, ‘বেনেট নেতানিয়াহুর চেয়ে কোন অংশেই কম আক্রমণাত্বক নয়। এবং ক্ষমতায় এসে সে প্রমাণ করতে চাইবে কতটা কট্টর সে। এটাই তার নির্বাচনি এজেন্ডা। যা বাস্তবায়নের চেষ্টা করবে সে। তাই বেনেট হতে পারে আরো আগ্রাসী।’
