
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আসামে সংশোধিত খসড়া নাগরিক তালিকায় ছিল না স্ত্রীর নাম। তখন থেকেই অবসাদে ভুগছিলেন রাজ্যের বাসিন্দা প্রীতিভূষণ দত্ত। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের ৩ দিন আগে চাপ সহ্য করতে না পেরে তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন। ভারতীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম সূত্রে তার আত্মহত্যার খবর জানা গেছে।
প্রতিবেশীদের কথায় স্ত্রীয়ের নাম এনআরসি তালিকায় উঠবে কি না, তা নিয়ে চরম উদ্বেগেই দিন কাটাচ্ছিলেন তিনি। স্ত্রী নমিতার কথায়, প্রীতিভূষণ প্রায়ই বলতেন, যে তাকে নাকি বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। তার সবসময় মনে হয়, স্ত্রীকে ডিটেনশন ক্যাম্পে রাখা হলেও তার সঙ্গে তাকে দেখা করতে দেওয়া হবে না। বিষয়টি মানসিক সমস্যার দিকে এগোচ্ছে এই আশঙ্কা থেকেই তাকে চিকিৎসকের কাছেও নিয়ে যান নমিতা। তবুও সবসময় এনআরসির কাগজপত্রই নাড়াচাড়া করছিলেন তিনি।
ঘটনার দিন ২৭ আগস্ট বুধবার খাওয়া দাওয়া সেরে ঘুমোতে যান দুজনেই। তারপর দরজা খোলার শব্দ পান নমিতা। অনেকক্ষণ তাঁর স্বামীকে ফিরে আসতে না দেখে বাইরে গিয়ে স্বামীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করেন।
উল্লেখ্য, আসামের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, নাগরিক তালিকাকে ঘিরে সেখানে এ পর্যন্ত ৫৭ জন মানুষ আত্মঘাতী হয়েছেন।
