
ফাতেহ ডেস্ক:
স্মারকলিপিতে স্বাক্ষর করেছেন ইজরাইলের জননিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রী আমির ওহানা ও আমিরাতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী সাইফ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান।
গত মঙ্গলবার প্রথম ইজরাইলি কর্মকর্তা হিসেবে আমিরাত সফর করেন ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের প্রধান ইয়োসি কোহেন। সফরে তিনি আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, সেই বৈঠকে নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তির বিষয়ে আলোচনা করেছেন তারা।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় আমিরাত-ইজরাইল শান্তিচুক্তিতে সই করে। একে ঐতিহাসিক আখ্যা দিয়ে ট্রাম্প বলেন, এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফিরে আসবে এবং এই অঞ্চল উন্নতির দিকে ধাবিত হবে। পশ্চিম তীরে দখল কার্যক্রমও এর ফলে থেমে গেল।
ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিকরা এই চুক্তিকে সাধুবাদ জানালেও তুরস্ক, ইরান ও ফিলিস্তিন এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালচোনা করেছে। ফিলিস্তিনের দাবি, আমিরাত এই চুক্তিতে সই করে তাদের ‘পিঠে ছুরি’ মেরেছে। এর ফলে ইসরায়েলিদের দখল কার্যক্রম বৈধতা পেয়ে গেলো।
দ্য নিউ আরব বলছে, শান্তিচুক্তির দুই পক্ষের মধ্যে শুধু একটি ব্যবসায়িক চুক্তি ছাড়া সরকারগুলো তেমন কোনো সমঝোতায় যায়নি। এই নিরাপত্তা চুক্তিটিই দুই সরকারের মধ্যে প্রথম।
