আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
চলতি বছরের ১৬ মে ফ্রান্সের সংসদ অধিবেশনে স্কুল শিক্ষার্থীদের হিজাব পরার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করার পর এবার শিক্ষার্থীদের নারী অভিভাবকদেরও হিজাব পরা নিষিদ্ধ করে আইন পাস করেছে দেশটির আইনসভা। এর ফলে শিক্ষার্থীদের স্কুলে আসা-যাওয়ার পথে নারী অভিভাবকরাও মাথায় কোনো ধরনের স্কার্ফ বা হিজাব পরতে পারবে না।
ফ্রান্সের দক্ষিণাঞ্চলের শহর বেয়নের একটি মসজিদে এক সাবেক সেনা সদস্যের গুলিতে দুজন বৃদ্ধ গুরুতর আহত হওয়ার পর গত সোমবার এই আইনটি পাশ করা হয়। পর দিন মঙ্গলবার সিনেটে বিলটির পক্ষে ১৬৩ জন সিনেট সদস্য ভোট দেন। আর এর বিপক্ষে ভোট দেন ১১৪ জন।
হিজাব পরা নিয়ে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রো বরেন, জনসম্মুখে হিজাব পরা আমার কোনো বিষয় নয়। কিন্তু স্কুলে হিজাব পরার ব্যাপারে আমি কথা বলতে চাই। কারণ, স্কুলে আমরা অসাম্প্রদায়িকতা শেখাই।
উল্লেখ্য, ২০১১ সালের এপ্রিলে ফ্রান্সে মুখ ঢাকা থাকে এ ধরনের সব পোশাক নিষিদ্ধ করা হয়। এর মধ্যে বোরকা ও নিকাব রয়েছে। এ আইনটিকে জরিমানার আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। যে কেউ মুখ মুখ ঢাকবে তাকে ১৫০ ইউরো জরিমানা গুনতে হবে।
ইউরোপের প্রথম দেশ ফ্রান্স, যেখানে আইন করে নারীদের বোরকাকে নিষিদ্ধ করা হয়। অথচ ৫০ লাখ মুসলমান ফ্রান্সে বসবাস করে আসছে।
