কাতারের বিষয়টি কাল্পনিক, বললেন ক্যাপ্টেন মাহমুদ

ফাতেহ ডেস্ক

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ক্যাপ্টেন ফজল মাহমুদকে কাতার ইমিগ্রেশনে আটক বা গ্রেফতারের দেয়ার ঘটনাটি কাল্পনিক। পাসপোর্ট না থাকায় দোহার ইমিগ্রেশন কাউন্টারে যাননি ক্যাপ্টেন ফজল মাহমুদ। ভুল করে পাসপোর্ট না নেয়ায় বিমানবন্দরের ট্রানজিট হোটেল অরিস এয়ারপোর্ট হোটেলের একটি কক্ষ ভাড়া নেন তিনি।

শুক্রবার (৭ জুন) ১০টার দিকে হোটেল থেকে মুঠো ফোনে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান বিমানের সিনিয়র ক্যাপ্টেন ফজল মাহমুদ।

তিনি বলেন, আমি যখন দেখলাম আমার সঙ্গে পাসপোর্টটি নেই, সাথে সাথে আমি ইমিগ্রেশনে না গিয়ে ট্রানজিট পয়েন্টের অরিস এয়ারপোর্ট হোটেলে গিয়ে উঠি। বৃহস্পতিবার (৬ জুন) সোয়া এগারোটার দিকে বিমানের স্টেশন ম্যানেজার ইলিয়াসের কাছ থেকে পাসপোর্ট গ্রহণের পর ক্রাউন প্লাজা হোটেলে চলে আসি। ঘটনা এইটুকুই। অথচ প্রকৃত ঘটনা না জেনে আমার দেশের মিডিয়া কাল্পনিক কথাবার্তা প্রচার করে যাচ্ছে। আমি স্বাভাবিক আছি।

ক্যাপ্টেন ফজল মাহমুদ বলেন, ভুলবশত পাসপোর্ট সঙ্গে না থাকলে ইমিগ্রেশন কোনো ক্রুকে আটক করা হয় না। বরং তখন পাসপোর্ট বা ট্রাভেল ডকুমেন্টস নিয়ে আসার জন্য বলা হয়। আমাকেও তাই বলতো। আমি পাসপোর্ট না থাকায় ইমিগ্রেশনে না গিয়ে হোটেলে চলে যাই।

এদিকে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন সচিবের নির্দেশে ক্যাপ্টেন ফজল মাহমুদকে ফজল মাহমুদকে ভিভিআইপি ফ্লাইট থেকে প্রত্যাহার ও তার পরিবর্তে পাঠানো হচ্ছে ক্যাপ্টেন আমিনুলকে।

শুক্রবার (৭ জুন) সন্ধ্যা ৭টায় বিমানের দোহাগামী নিয়মিত ফ্লাইটে (বিজি-০২৫) তার ঢাকা ত্যাগ করার কথা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট অপারেশন বিভাগ ।

এর আগে পাসপোর্ট না নিয়ে দোহায় যাওয়া বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সিনিয়র পাইলট ক্যাপ্টেন ফজল মাহমুদের পাসপোর্ট নিয়েছে রিজেন্ট এয়ারওয়েজ। বৃহস্পতিবার (৬ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় রিজেন্ট এয়ারওয়েজের দোহাগামী ফ্লাইট পাসপোর্টটি বহন করে নিয়ে যায়।

আগের সংবাদপুলিশের সাথে গোলাগুলিতে তিন রোহিঙ্গা নিহত
পরবর্তি সংবাদবিশ্ব পর্যটন সংস্থার ভাইস প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশ