কাশ্মীরে ঢুকতে পারলেন না রাহুল গান্ধী, বিমান বন্দর থেকেই ফেরত পাঠিয়েছে সেখানকার ভারতীয় প্রশাসন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভারতের জবর দখলকৃত কাশ্মীরে কারফিউ চলাকালীন সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়েছিলেন ভারতের বিরোধীদল কংগ্রেসের সাবেক সভাপতি রাহুল গান্ধী। তিনি বলেছিলেন, কাশ্মীরি জনগণের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে কারফিউয়ের মাধ্যমে স্তব্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তাঁর এ অভিযোগের বিরোধিতা করে জম্মু-কাশ্মীরের রাজ্যপাল সত্যপাল মালিক বলেছিলেন, ‘আমি বিমান পাঠাচ্ছি, উনি এসে প্রকৃত সত্য দেখে যেতে পারেন।’

রাজ্যপালের এ কথার সূত্র ধরেই রাহুল গান্ধী দলের অন্যান্য নেতাদের নিয়ে শনিবার ১১.৫০-এর ভিস্তারার বিমানে দিল্লি থেকে শ্রীনগর পৌঁছান। আড়াইটা নাগাদ তাঁরা শ্রীনগর বিমানবন্দরে পৌঁছালে তাঁদেরকে বিমান বন্দর থেকে বাইরে যেতে বাধা দেওয়া হয়। বলা হয়, এই মুহূর্তে কাশ্মীরে তারা প্রবেশ করতে পারবেন না, ফিরে যেতে হবে। ফলে শ্রীনগর বিমানবন্দর থেকেই দিল্লি ফিরতে হয়েছে তাদেরকে।

রাহুলের সঙ্গে ছিলেন কংগ্রেসের গুলাম নবি আজাদ, কে সি বেণুগোপাল, আনন্দ শর্মা, তৃণমূল কংগ্রেসের দীনেশ ত্রিবেদী, CPM-এর সীতারাম ইয়েচুরি, CPI-এর ডি রাজা, DMK-র তিরুচি শিবা, RJD-র মনোজ ঝা, NCP-র মজিদ মেমন, JDS-এর ডি কুপেন্দ্র রেড্ডি এবং লোকতান্ত্রিক জনতা দলের শরদ যাদব।

গোটা বিষয়ে প্রশাসনের উপর ক্ষুব্ধ বিরোধীরা। গুলাম নবি আজাদ বলেন, ‘আমরা তো আইন ভাঙতে আসিনি।’ RJD নেতা মনোজ ঝা’র মতে,’কিছু লুকানোর না থাকলে, প্রশাসন আমাদের যেতে দিচ্ছে না কেন?’

প্রসঙ্গত, ৩৭০ ধারা বাতিলের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের পর থেকে উপত্যকায় ঢুকতে পারেননি কোনও বিরোধী নেতা। প্রতিবারই তাঁদের শ্রীনগর বিমানবন্দর থেকে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

আগের সংবাদআসামে এনআরসি তালিকা প্রকাশের বিরুদ্ধে বিজেপি! নেপথ্যে কী?
পরবর্তি সংবাদআল মাকরীজী : যিনি ইসলামী ইতিহাস সংকলন করেছেন