
ফাতেহ ডেস্ক
খুলনায় আর্মড (এপিবিএন) পুলিশ সদস্য মাহমুদ আলমের বিরুদ্ধে স্ত্রীকে মারধর ও শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার নগরীর শিরোমনি বাদামতলা এলাকার মনিরুল ইসলামের বাড়িতে এ ঘটনাটি ঘটে। হত্যাকাণ্ডের পর থেকে স্বামী নায়েক (পুলিশ সদস্য) মাহমুদ আলম পলাতক রয়েছে।
এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়, পারিবারিক কলহের জের ধরে গত শুক্রবার রাতে স্বামী মাহমুদ আলম তার স্ত্রী জোয়ানা আক্তার উশা ওরফে আয়শা আক্তারকে (২০) মারধর ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। শনিবার ভোরে সে বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে পালিয়ে যায়। দুপুরের দিকে কোন সাড়াশব্দ না পেয়ে বাড়ির লোকজন খোঁজখবর নিতে গিয়ে ঘরে আয়শা আক্তারকে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন।
দুপুর ২টার দিকে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। স্থানীয় সূত্র জানায়, নায়েক মাহমুদ আলম খুলনার শিরোমনি এপিবিএনে কর্মরত।
২০১৮ সালের ডিসেম্বর মাসে সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার জামালনগরের বাসিন্দা মো. জবেদ আলীর ছেলে মাহমুদ আলমের সঙ্গে খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলার বাসিন্দা মো. জালাল উদ্দিন গাজীর মেয়ে উশার বিয়ে হয়। শুক্রবার রাতে সেমাই খাওয়া নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে মাহমুদ আলম তার স্ত্রী আয়শার গলায় কামড় দেয়। এতে সে নিস্তেজ হয়ে পড়ে।
নিহত আয়শার গলায় কামড়ের চিহ্ন রয়েছে। এ ব্যাপারে খানজাহান আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, নিহত আয়শার গলায় কামড় ও শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যার পর থেকে স্বামী এপিবিএন সদস্য মাহমুদ আলম পলাতক রয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।
