
ফাতেহ ডেস্ক
জিয়াউর রহমানের কবরসহ জাতীয় সংসদের ‘মূল নকশার বাইরে’ যেসব স্থাপনা রয়েছে, তা অপসারণ করতে বললেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। আজ শনিবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বলেন, ‘জাতীয় সংসদ চত্বরে মূল নকশার বাইরে জিয়ার কবরসহ যেসব স্থাপনা হয়েছে, এখানে আরও কিছু কবর দেওয়া হয়েছে, সেগুলো অপসারণের অনুরোধ করছি।’
প্রসঙ্গত, গত নবম ও দশম জাতীয় সংসদের একাধিক বৈঠকে জাতীয় সংসদ চত্বর থেকে জিয়াউর রহমানের কবরসহ লুই আই কানের নকশাবহির্ভূত যেসব স্থাপনা রয়েছে তা সরানোর বিষয়ে কথা ওঠে। এরই প্রেক্ষিতে গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ও জাতীয় সংসদ সচিবালয় উদ্যোগী হয়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে লুই কানের মূল নকশা সংগ্রহ করে। তবে ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে নকশা আনা হলেও গত আড়াই বছরে নকশাবহির্ভূত কোনও স্থাপনা সরানোর উদ্যোগ দেখা যায়নি।
এদিকে আজ সকালে কুষ্টিয়ায় নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেছেন, ‘বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক নন, তিনি ৩ নম্বর পাঠক। তাকে জোর করে ধরে এনে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করানো হয়েছিল। জিয়াউর রহমান মুুক্তিযুদ্ধের চেতনায বিশ্বাসী ছিলেন না।’
হানিফ বলেন, বিএনপি কখনই সংসদীয গণতন্ত্রে বিশ্বাসী ছিল না। কারণ দলটির জন্মই হয়েছিল অবৈধভাবে, সামরিক ছাউনিতে। এবারও বিএনপি সংসদে এসে সংসদকে বিতর্কিত করার চেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে। বিএনপি সংসদে এসে অপ্রাসঙ্গিকভাবে মীমাংসিত বিষয় নিযে মিথ্যাচার করে সংসদকে উত্তপ্ত ও অকার্যকর করার চেষ্টা করছে বলে এ সময় অভিযোগও করেন তিনি।
