ফাতেহ ডেস্ক :
ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে এমন বই মেলায় থাকতে দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার মুহা. শফিকুল ইসলাম। ডিএমপি সদর দপ্তরে একুশে বইমেলার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে আয়োজিত সমন্বয় সভায় এ কথা বলেন তিনি।
সভায় বাংলা একাডেমির সচিব মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন জানান, এবারের বই মেলায় মোট ৫৩৮টি প্রকাশনা সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে। মেলার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে থাকবে ৪১১টি স্টল। আর বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ১২৭টি স্টল বসবে। সব মিলিয়ে স্টল থাকবে ৮৭২টি। এছাড়া শিশু চত্বর, মসজিদ, টয়লেট, ফুড পার্ক ও প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্র থাকবে বইমেলা প্রাঙ্গণে।
আনোয়ার হোসেন বলেন, বইমেলায় আসা বই মনিটরিং করতে এবারও ‘মনিটরিং কমিটি’ কাজ করবে। মেলার নিরাপত্তার জন্য তিনশর বেশি সিসি ক্যামেরা বসানো হচ্ছে। বাঁশ ও টিন দিয়ে মেলা প্রাঙ্গণ ঘিরে শক্ত বেষ্টনী দেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি বুক স্টলে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
সমন্বয় সভায় ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোসাম্মৎ জোহরা খাতুন, বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক সমিতির সহসভাপতি শ্যামল পাল, গোয়েন্দা সংস্থা ও ফায়ার সার্ভিসসহ সরকারের সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিবৃন্দ।
