
ফাতেহ ডেস্ক
প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ করতে ব্যর্থ হয়ে লোহার শিকল দিয়ে বেঁধে ঘরে বন্দী করে রাখার অভিযোগ উঠেছে। অমানুষিক নির্যাতনের পর ওই গৃহবধূর মাথার চুলও কেটে দেয়া হয়। ঘটনাটি ঘটেছে নরসিংদীর বেলাবো উপজেলায়। খবর পেয়ে বেলাবো থানা পুলিশ উপজেলার জাঙ্গুয়া গ্রাম থেকে ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় বেলাবো থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে নিযার্তিতা গৃহবধূও ধর্ষণ চেষ্টা ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ এনে আদালতে পৃথক একটি পিটিশন দায়ের করেন। আদালত আগামী এক মাসের মধ্যে বেলাবো থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ প্রদান করেন।
অভিযুক্তরা হলো- জাঙ্গুয়া গ্রামের সিদ্দিক মিয়ার ছেলে জাকির মিয়া, তার ভাই সামসুজ্জামান, চেরাগ আলীর ছেলে বাচ্চু মিয়া, তার স্ত্রী শিল্পী বেগম, রিমা বেগম ও রহিমা বেগম।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবত সিদ্দিক মিয়ার ছেলে জাকির মিয়া প্রবাসীর স্ত্রীকে উক্তত্য করত। একই সাথে কু-প্রস্তাবও দিয়ে আসছিল। সব শেষ গত শনিবার রাতে অভিযুক্ত জাকির প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরে যায়। তাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এতে ব্যর্থ হয়ে গৃহবধূকে জোর করে অভিযুক্ত জাকিরের বাড়িতে নিয়ে যায়। পরে সেখানে তাকে লোহার শিকল দিয়ে খাটের সাথে বেঁধে একটি ঘরে বন্দী করে রাখে। এসময় তার মাথার চুল কেটে দেয়া হয়। শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়।
খবর পেয়ে ৩ দিন পর মঙ্গলবার রাতে বেলাবো থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে। ওই ঘটনায় মঙ্গলবার রাতেই নির্যাতিতা গৃহবধূ বেলাবো থানায় মামলা দায়ের করেন। এছাড়াও আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাঈনউদ্দিন কাদিরের আদালতে ধর্ষণের চেষ্টা ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ এনে আদালতে পৃথক একটি পিটিশন দায়ের করেন।
বেলাবো থানার এস আই ওয়াহিদুল্লাহ সজিব ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এ ঘটনায় দুই জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
