
ফাতেহ ডেস্ক:
দু’সপ্তাহেও খোঁজ পাওয়া যায়নি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদীয়মান ইসলামী বক্তা মুফতী মাওলানা মিজানুর রহমান কাসেমীর। তার সন্ধান পেতে সংবাদ সম্মেলন করেছে পরিবার।
সোমবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, পহেলা সেপ্টেম্বর চট্রগ্রাম জেলার হাটহাজারী থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিজ বাড়িতে ফেরার পথে নিখোঁজ হন তিনি। মুফতী মাওলানা মিজানুর রহমান কাসেমী ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে শরীফপুর কান্দাপাড়া গ্রামের আবদুল ওয়াহাবের ছেলে। তিনি ভারতের দেওবন্দ মাদ্রাসা থেকে মুফতী এবং হাটহাজারী মাদ্রাসা থেকে মোফাচ্ছের কোর্স সম্পন্ন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, পহেলা সেপ্টেম্বর দুপুর আড়াইটায় স্ত্রীকে মোবাইল ফোনে মুফতী মাওলানা মিজানুর রহমান কাসেমী জানান, চট্টগ্রাম হয়ে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া আসছেন। এরপর পৌনে ৫ টার দিকে শওকত নামে এক বন্ধুকে মুফতী মাওলানা মিজানুর রহমান কাসেমী ফোন করে জানান তাকে ৪জন অপরিচিত লোক আটক করে অবান্তর কথাবার্তা বলছেন। বিষয়টি শওকত মুফতী মাওলানা মিজানুর রহমান কাসেমী স্ত্রীকে জানান।
এই ব্যাপারে পরদিন হাটহাজারী থানায় মুফতী মাওলানা মিজানুর রহমান কাসেমী আরেক বন্ধু মো. নাছির উদ্দিন একটি সাধারন ডায়েরী করেন। থানা পুলিশ তার মোবাইল ট্র্যাকিং করে দেখতে পান সিলেটে জকিগঞ্জে রতনগঞ্জ বাজার এলাকায় তার অবস্থান। পরে সেখানকার থানা পুলিশ সম্ভাব্য কয়েকটি স্পটে তল্লাশী করে তার সন্ধান পায়নি। এরই মধ্যে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি নিখোঁজ মুফতী মাওলানা মিজানুর রহমান কাসেমীর মোবাইল নাম্বার থেকে ফোন পরিবারের কাছে ৪ লাখ টাকা দাবী করে। পরিবারের লোকজন অভিযোগ করেন এই ব্যাপারে তারা র্যাবের সহায়তা চেয়েও পাচ্ছেন না।
নিখোঁজ মুফতীর সন্ধান পেতে প্রধানমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন পরিবারের সদস্যরা। সংবাদ সম্মেলনে মুফতী মাওলানা মিজানুর রহমানের বৃদ্ধ পিতা আব্দুল ওয়াহাব, শ্বশুর এরশাদুল হক, হাফেজ মাওলানা মো. ইদ্রিস এবং মুফতী মাওলানা এনামুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।
