
ফাতেহ ডেস্ক:
রাজনৈতিক দলগুলো বিভক্ত, তবুও সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে জনগণের প্রত্যাশা ও বাস্তবতা সম্পর্কে নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।
বুধবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের সম্মেলন কক্ষে বিশিষ্টজনদের সঙ্গে বৈঠকের সূচনা বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
হাবিবুল আউয়াল বলেন, আজ দলগুলো রাজনৈতিকভাবে বিভক্ত। কিন্তু এ আলোচনায় না গিয়ে আমরা সামনের দিকে তাকাতে চাচ্ছি। আপনাদের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশা জানতে পারলে ঋদ্ধ হবো। আলোচনা কাজে আসুক, এ প্রত্যাশা আমাদের। দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে জনগণের প্রত্যাশা ও বাস্তবতা সম্পর্কে জানতে চাই।
অতিথিদের উদ্দেশে সিইসি বলেন, আমরা আপনাদের যাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছি তারা রাজনীতিতে যুক্ত নন। আপনারা ইনটেলেকচুয়াল। সে কারণে নির্বাচন নিয়ে জনগণের প্রত্যাশা ও আপনাদের অভিজ্ঞতা, মতামত পেয়ে আমরা আমাদের করনীয় সম্পর্কে জানতে পারবো। আপনারা একাডেমিক আলোচনা করলে আমাদের জন্য বুঝতে সুবিধা হবে।
এসময় দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের বিশিষ্টজনদের কাছ থেকে পরামর্শ শোনার উদ্যোগ নেয় নির্বাচন কমিশন।
তিনি বলেন, দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন আসন্ন। এতে রাজনৈতিক দল, ভোটার, গণমাধ্যম, প্রবাসী বাংলাদেশিরা সবাই তাকিয়ে আছেন। কূটনৈতিক মহলও ব্যাপক আগ্রহী। নির্বাচন কমিশন অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে বদ্ধপরিকর। আজকের আলোচনার মধ্য দিয়ে আমরা উপকৃত হব বলে প্রত্যাশা করি।
সিইসি বলেন, আমাদের নির্বাচন নিয়ে দাতা সংস্থা, বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে। তাই জনগণের প্রত্যাশিত নির্বাচন কিভাবে করা যায় সে বিষয়ে আপনাদের কাছ থেকে পরামর্শ শুনতেই আজকের আয়োজন।
তিনি বলেন, আমরা কাপুরুষ নই যে সরকারের সঙ্গে আঁতাত করেছি। নৈতিকতা থেকে আমরা এতটাও বিচ্যুত হইনি যে আরপিওতে আমরা আমাদের নিজেদের ক্ষমতা কমিয়ে দিয়েছি। এটা মোটেই নয়, এটা মিডিয়ায় অপপ্রচার। ইসির কোনো ক্ষমতা কমেনি। অনেকেই এখন টকশোতে বলেন, আরপিও সংশোধন করে ইসির ক্ষমতা কমিয়ে দেয়া হয়েছে। এটা একটা অপপ্রচার করা হচ্ছে।
প্রিজাইডিং পোলিং কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যদি পরিস্থিতি কন্ট্রোলের (নিয়ন্ত্রণ) বাইরে চলে যায়, তাহলে প্রয়োজনে (ভোট) কেন্দ্র থেকে পালিয়ে যান। ভোট অটোমেটিক বন্ধ হয়ে যাবে। যার জন্য বন্ধ হবে সেই প্রার্থী আর ভোটে দাঁড়াতে পারবেন না।
নির্বাচন নিয়ে কাজ করা ব্যক্তিদের পাশাপাশি সাবেক আমলা, সিনিয়র সাংবাদিকসহ ২৮ জনকে এ জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছে সংস্থাটি।
