
ফাতেহ ডেস্ক
ফেনীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত রাফির মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে কোনো গাফলতি হলে হস্তক্ষেপ করবে আদালত। আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের বেঞ্চ এই ঘোষণা দেয়।
নুসরাতের ঘটনা তদন্তের বিষয়টি আদালতের নজরে আনেন আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। তাঁর আবেদনে হাইকোর্ট মন্তব্য করেন, সাগর-রুনি, কুমিল্লার তনু, চট্টগ্রামের মিতু হত্যাকাণ্ডের মতো যেন এই মামলার তদন্ত হারিয়ে না যায়। নুসরাতের বিষয়টি নিবীড় পর্যবেক্ষণ করবে হাইকোর্ট।
গতকাল রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান নুসরাত।
প্রসঙ্গত, গেল ৬ই এপ্রিল ফেনীর সোনাগাজীতে ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফির গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে হত্যাচেষ্টা চালায় দুর্বৃত্তরা। এরপর, অগ্নিদগ্ধ নুসরাতকে প্রথমে সোনাগাজী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে ফেনী সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। কিন্তু, শরীরের সত্তর শতাংশ পুড়ে যাওয়ায় নুসরাতকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে নেয়া হয়।
