
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
প্রথমদফায় ভোটের প্রার্থীদের মনোনয়ন দাখিল পর্ব শেষ হয়ে গেলেও প্রার্থী দেওয়া নিয়ে রাজ্য নেতৃত্বকে কোনও সিদ্ধান্তের কথা জানাতে পারেননি অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন বা মিমের শীর্ষনেতারা। খবর আনন্দবাজার।
কয়েক মাস আগেই বিহার বিধানসভা নির্বাচনে সাফল্য পাওয়ায় পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দিকে নজর পড়ে মিমের। এ রাজ্যের সংখ্যালঘু অধ্যুষিত মালদহ, মুর্শিদাবাদ ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় লড়াইয়ের ব্যাপারে এ রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা মানসিক প্রস্তুতিও নিয়েছিলেন।
২৬ ফেব্রুয়ারির সভা বাতিলের পর ৪ মার্চ ওয়াইসির কলকাতায় সভা করার কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা-ও করা হয়নি। চলতি মাসের ১০ অথবা ১৩ মার্চ রাজ্যের অন্য দুটি জেলার পাশাপাশি মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘিতে ওয়াইসির সভা করার কথা থাকলেও তা হয়নি। ঠিক ছিল, সংখ্যালঘু অধ্যুষিত মুর্শিদাবাদের ২২টি আসনের মধ্যে ১৩টি আসনে প্রার্থী দেবে মিম। সে সব প্রার্থীদের সমর্থন জানিয়ে সাগরদিঘিতে দলীয় জনসভা করে ১৩টি আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করবেন ওয়াইসি। তা-ও হয়নি।
এদিকে পশ্চিমবঙ্গে মিমের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা জামিরুল হাসান পদত্যাগ করেছেন। কারণ হিসেবে তিনি বলেছেন, ‘মিম নেতৃত্বের কোনও অবস্থানই স্পষ্ট নয়। তাঁরা এ রাজ্যে যখন কোনও কর্মসূচি নেন, তা নিজেদের মতো করেই নেন। আমাদের সঙ্গে কথা বলার প্রয়োজন বোধ করেন না। এখনও নির্বাচনে লড়াই করব বলে পিছিয়ে গিয়েছেন। ওনারা হায়দরাবাদ থেকে সবকিছু বলেন এবং করেন। বাংলার নেতৃত্বকে কিছু জানান না। যেমন আব্বাস সিদ্দিকির সঙ্গে বৈঠকের সময়ও আমাদের কিছু জানানো হয়নি। তাই এমন সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগা একটি দলের হয়ে আমি আর কাজ করতে রাজি নই।’
