প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অভিযোগ বক্স খুলতে হবে প্রতি সপ্তাহে

ফাতেহ ডেস্ক

গণমাধ্যমের ওপর বিধি-নিষেধ আরোপ করে সরকারের চাওয়া পূরণ হবে না বলে মন্তব্য করেছেন দেশের বেসরকারি টেলিভিশনের সিনিয়র সাংবাদিক ও কর্মকর্তাবৃন্দ। সেইসাতে দেশে ২০টির বেশি টেলিভিশন প্রয়োজন নেই বলেও উল্লেখ করা হয়। শনিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত ‘উগ্রবাদ রোধে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তারা এ মন্তব্য করেন।

বক্তরা বলেন, দেশের গণমাধ্যমের প্রচার ও প্রকাশনায় বিধি-নিষেধ আরোপ করে সরকারের চাওয়া পূরণ হবে না। বরং গণমাধ্যম যা প্রচার ও প্রকাশ করতে চায়, তা করতে দিলেই সরকারের চাওয়া পূরণ হবে।

একাত্তর টিভির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সিনিয়র সাংবাদিক মোজাম্মেল বাবু বলেন, দেশে ২০টির বেশি টেলিভিশন প্রয়োজন নেই। কিন্তু সরকার ৪০টির লাইসেন্স দিয়েছে। এতে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিচ্ছে। গণমাধ্যমের শক্তি কমিয়ে ফেলা হচ্ছে। আবার মূলধারার মিডিয়ায় ছাঁটাই চলছে।

তিনি আরো বলেন, সরকারের কাজ গণমাধ্যমের টুঁটি চেপে ধরা নয়, কিন্তু সত্য সংবাদ প্রচার করলেও তা করা হচ্ছে। একটা নিউজ অন এয়ার করা হলে সরকারের পক্ষ থেকে তা থামানোর জন্য বলা হচ্ছে। তারপর লাইনে লাইনে সংশোধন করতে হচ্ছে।

জিটিভি ও সারাবাংলা ডট নেটের প্রধান সম্পাদক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা বলেন, দেশে কোনো জঙ্গি আটক হলে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, জিহাদি বইসহ যোদ্ধা আটক হয়েছে। কিন্তু এই ধরনের শব্দ ব্যবহার করা মানে জঙ্গিবাদকে উদ্বুদ্ধ করা। সকলেই দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা করতে বলেন, কিন্তু কেউ গণতন্ত্রের কথা বলেন না। মনে রাখতে হবে, ভালো গণতন্ত্র না থাকলে, ভালো সাংবাদিকতা হয় না।

অনুষ্ঠানে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ও ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট প্রধান মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, বিদেশিরা মনে করে, বাংলাদেশে জঙ্গিরা রাস্তায় বের হলেই চাপাতি দিয়ে কোপানো শুরু করে। তাই গণমাধ্যমকে সত্য ও বাস্তব অবস্থাটা প্রচার করতে হবে। যারা সংবাদ প্রচার করবে তাদের স্বচ্ছতা থাকতে হবে। কারণ সামাজে গণমাধ্যমের ভালো প্রভাব রয়েছে।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সাংবাদিক মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল, মাছরাঙ্গা টিভির হেড অব নিউজ রেজওয়ানুল হক রাজা, এটিএন বাংলার হেড অব নিউজ জ ই মামুন, এনটিভির বার্তা প্রধান জহিরুল আলম, ডিবিসি নিউজের সিইও মঞ্জুরুল ইসলাম ও একুশে টিভির মোস্তফা মহসিন আব্বাস।

-এ

আগের সংবাদচাঁদাবাজিকালে হাতেনাতে গ্রেপ্তার ঢাবির দুই শিক্ষার্থী
পরবর্তি সংবাদকেন্দ্রে মারামারি, অবশেষে থানায় বসে পরীক্ষা দিল তিন মাদরাসাছাত্র