বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ, নৌ পুলিশ সদস্য কারাগারে

ফাতেহ ডেস্ক

বাগেরহাটের রামপালে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক ছাত্রীকে (১৬) ধর্ষণের অভিযোগে আটক হওয়া নৌ পুলিশের সদস্য মুস্তাকিন বিল্লাহকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে রামপাল উপজেলার ভোতপাতিয়া ইউনিয়নের কালিকাবাড়ি গ্রাম থেকে অভিযুক্ত ওই নৌ পুলিশকে আটক করা হয়।

গতকাল শুক্রবার (২১ জুন) রাতে মেয়েটি নিজে বাদী হয়ে রামপাল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে নৌ পুলিশের সদস্য মুস্তাকিন বিল্লাহ’র বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। নৌ পুলিশের সদস্য মুস্তাকিন বিল্লাহ (৩২) রামপাল উপজেলার মোংলা-ঘষিয়াখালী নৌ-চ্যানেলের সন্ন্যাসী নৌ-পুলিশ ক্যাম্পে কর্মরত ছিলেন। তিনি খুলনার তেরখাদা উপজেলার বারাসাত গ্রামের হাফেজ জামিল আহমেদের ছেলে।

এ ঘটনায় নৌ পুলিশের খুলনা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) রামপাল থানা পরিদর্শন করেছেন।

আজ (শনিবার) দুপুরে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে এবং নৌ পুলিশের সদস্য মুস্তাকিনকে আদালতের মাধ্যমে বাগেরহাট কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মামলার বরাত দিয়ে রামপাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. লুৎফর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, মোংলা-ঘষিয়াখালী নৌ-চ্যানেলের সন্নাসী নৌ পুলিশ ক্যাম্পে কর্মরত নৌ পুলিশের সদস্য মুস্তাকিন বিল্লাহ’র সঙ্গে প্রায় দুই মাস আগে চলতি শিক্ষাবর্ষে এসএসসি পাশ করা স্থানীয় এক কিশোরীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

পুলিশ সদস্য মেয়েটিকে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিলে তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সম্প্রতি মেয়েটি ওই পুলিশ সদস্যকে বিয়ে করতে চাপ দেয়। বৃহস্পতিবার রাত একটার দিকে নৌ পুলিশের সদস্য মেয়েটির সাথে দেখা করতে আসলে স্থানীয় লোকজন তাদের ধরে প্রথমে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে দেয়।

পরে চেয়ারম্যান তাদের পুলিশে সোপর্দ করেন। এই ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে। নৌ পুলিশের সদস্য মুস্তাকিনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বাগেরহাট সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) চিকিৎসক মশিউর রহমান বলেন, আজ দুপুরে কিশোরীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।

আগের সংবাদসক্ষমতা থাকলে আন্দোলন করে বেগম জিয়াকে মুক্ত করুক : কাদের
পরবর্তি সংবাদসংসদে শীর্ষ ৩০০ ঋণখেলাপির তালিকা প্রকাশ