
ফাতেহ ডেস্ক: ভারতে গ্রেপ্তার জেএমবির বোমা মিজানকে বন্দিবিনিময় চুক্তির আওতায় সময়মতো দেশে আনা হবে বলে জানিয়ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন। নিরাপত্তা বিশ্লেষকেরা বলছেন, মিজানের হাত ধরেই আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ঘটেছে জঙ্গি সংগঠনটির। ফিরিয়ে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে, বিস্তারিত জানা যাবে সক্রিয় সদস্যদের সম্পর্কে।
২০০১ সালে জেএমবিতে যোগ দেয় মিজান। নেয় বোমা তৈরির প্রশিক্ষণ। পরে একাজে দক্ষতার জন্য সংগঠনেই তার নাম হয় বোমা মিজান।
ডাকাতি ও বোমা হামলার অভিযোগে ২০০৯ সালে মিরপুর থেকে তাকে গ্রেপ্তার র্যাব। ত্রিশালে প্রিজন ভ্যানে হামলা চালিয়ে মৃত্যুদণ্ডের আসামিদের সঙ্গে যাবজ্জীবন পাওয়া মিজানকেও ছিনিয়ে নেয় জঙ্গিরা। এরপর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন মিজান। ভারতে আত্মগোপনে থাকার সময় ছিলেন জামাআতুল মুজাহিদীন ইন্ডিয়ার আমির। পশ্চিমবঙ্গের খাগড়াগড় বোমা হামলায়ও তার সংশ্লিষ্টতা পায় গোয়েন্দারা।
মঙ্গলবার ব্যাঙ্গালুরুর আস্তানা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ভারতের জাতীয় তদন্ত সংস্থা- এনআইএ। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে থাকা বন্দিবিনিময় চুক্তির কথা উল্লেখ করে, আইনিভাবে সময় মতো তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকেরা বলছেন, জেএমবি আন্তর্জাতিক রূপ না পেলেও, মিজানের হাত ধরেই তৈরি হয়েছে বৈশ্বিক সংযোগ। মিজানকে ফিরিয়ে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে, তার কাছে প্রশিক্ষণ নেয়া সক্রিয় জঙ্গি সদস্য বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে বলেও মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
