ব্যবসায়ীর সংসার ভেঙে এক সন্তানের জননীকে ভাগিয়ে নিয়ে গেলেন উল্লাপাড়ার মেয়র

ব্যবসায়ীর সংসার ভেঙে এক সন্তানের জননীকে ভাগিয়ে নিয়ে গেলেন উল্লাপাড়ার মেয়র

ফাতেহ ডেস্ক :

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া পৌরসভার মেয়র এস এম নজরুল ইসলাম স্থানীয় এক ব্যবসায়ীর ১৮ বছরের সংসার ভেঙে তাঁর স্ত্রীকে ভাগিয়ে নিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। কিন্তু মেয়রের প্রভাবে মামলা তো দূরের থাক আজ পর্যন্ত কোনো অভিযোগ করতে পারেননি বলে রোববার সকালে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন ওই ব্যবসায়ী। ব্যবসায়ীর ওই স্ত্রী স্থানীয় প্রাইমারি স্কুলের সহকারী শিক্ষিকা গুলশানারা পারভীন পান্না।

এ বিতর্কিত ঘটনায় উল্লাপাড়া পৌর এলাকার সর্বত্র আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইলেও সমুদ্র সৈকতে গিয়ে দ্বিতীয় স্ত্রীকে হানিমুনও করেন মেয়র নজরুল। হানিমুন থেকে ঘুরে এসে ক্লাস ফাঁকি দিয়ে পৌর এলাকার সকল প্রোগ্রামসহ নানা অনুষ্ঠানে দ্বিতীয় স্ত্রী পান্নাকে নিয়ে যাতায়াত শুরু করেন মেয়র নজরুল। তবে পৌর মেয়রের দ্বিতীয় স্ত্রীর হানিমুনের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে ভাইরাল হবার পর সবাই মুখ খুলতে শুরু করেছেন।

এদিকে মেয়র নজরুল ইসলামের সঙ্গে বিয়ে হওয়ার পর থেকেই স্কুলে অনিয়মিত আসছেন গুলশানারা পারভীন পান্না। একদিনের ছুটি নিয়ে স্কুল ছেড়ে এ দীর্ঘ সময় ধরে অনুপস্থিত তিনি। তবে স্কুলে না এলেও বেতন ঠিকই তুলে নিচ্ছেন পান্না। পৌর মেয়রের স্ত্রী হওয়ায় এ বিষয়টি নিয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কিংবা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা মুখ খুলতে নারাজ।

অভিযোগে জানা যায়, উল্লাপাড়া পৌরসভার মেয়র নজরুল ইসলাম কয়েক বছর আগে পৌর এলাকার ঝিড়িকা বন্দর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। সেই অনুষ্ঠানেই এক সন্তানের জননী সহকারী শিক্ষিকা গুলশানারা পারভীন পান্নার প্রতি কুদৃষ্টি পড়ে মেয়রের। এরপর থেকেই বিভিন্ন প্রলোভন দেখায় পান্নাকে। এক পর্যায়ে কোনোভাবেই যখন গুলশান পারভীন রাজি হননি তখন ক্ষমতার দাপট ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর প্রভাব দেখিয়ে উল্লাপাড়ার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রাজন আহমেদের স্ত্রী পান্নাকে জোরপূর্বক উঠিয়ে নিয়ে বিয়ে করেন এবং এ বিষয়ে কোনো মামলা করলে রাজন ও তার সন্তানকে হত্যা করবে বলেও হুমকি দেয়া হয়।

মেয়র ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর ভয়ে গুলশানারা পারভীনের স্বামী রাজন স্ত্রীকে ফিরিয়ে নিতে কোনো মামলা ও শালিসও ডাকেননি। ১৬ বছর বয়সী সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে রাজন কোনো ঝামেলায় নিজেকে জড়াননি। এরপর থেকেই রাজনকে সবসময় চাপের মুখে রেখেছেন মেয়রের সন্ত্রাসী বাহিনী।

উৎস : জাগো নিউজ

আগের সংবাদবাবরি মসজিদের রায় ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় : ওবায়দুল কাদের
পরবর্তি সংবাদভারতের সাবেক বিচারপতি’র প্রশ্ন : বাবরি মসজিদের মতো ঘটনা আরও যে ঘটবে না, নিশ্চয়তা কী?