
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ভারতের লোকসভা নির্বাচন শুরু হয়েছে আজ। দেশটিতে ছয় সপ্তাহের সাত দফার দীর্ঘ নির্বাচনে প্রথম দিনে ২০টির বেশি অঙ্গরাজ্যের মানুষ ভোট দিচ্ছেন।
১৮টি রাজ্য ও দুটি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলের ৯১টি লোকসভা আসনের জন্য ভোটগ্রহণ চলছে আজ।
নির্বাচনকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্য গণভোট হিসেবে দেখা হচ্ছে। জনমত জরিপে তিনি এগিয়ে থাকলেও তাকে কঠোর চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে। খবর গার্ডিয়ান অনলাইনের।
প্রথম ধাপের নির্বাচনে অন্ধ্রপ্রদেশ, অরুণাচল, গোয়া, গুজরাট, হরিয়ানা, হিমাচল, কেরালা, মেঘালয়, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, পাঞ্জাব, তেলেঙ্গানা, তামিলনাড়ু, আন্দামান ও নিকোবর, দাদরা ও নাগর হাভেলি, দামান ও দিউ, লাক্ষাদ্বীপ, নয়াদিল্লি, পদুচেরি, চণ্ডিগড় ও উত্তরাখণ্ডের ভোটাররা একযোগে ভোট দিচ্ছেন।
লোকসভার সঙ্গে সঙ্গে অন্ধ্রপ্রদেশ, সিকিম, অরুণাচল ও উড়িষ্যা- এই চার রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন হচ্ছে। জম্মু-কাশ্মীরে বিধানসভা নির্বাচনের কথা থাকলেও এখনই তা হচ্ছে না।
এদিকে পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহারে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে ভোটে নাক গলানোর অভিযোগ তুলল তৃণমূল কংগ্রেস। সংবাদমাধ্যমকে তৃণমূল নেতা রবীন্দ্রনাথ ঘোষ জানিয়েছেন, নিয়ম না মেনে বুথের মধ্যে ঢুকে পড়ছেন বিএসএফ জওয়ানরা। পাশাপাশি ইভিএম কারচুপির অভিযোগও তুলেছেন তিনি। তাঁর দাবি, নির্বাচন কমিশনে জানালেও অভিযোগ নেওয়া হয়নি। শেষ পর্যন্ত তিনি তাঁর অভিযোগ জেলাশাসককে জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তাঁর দাবি, রাজ্যের পুলিশ দিয়ে ভোট করালে অনেক সু ষ্ঠু ভাবে নির্বাচন করানো সম্ভব হত।
তৃণমূল এবং বিজেপি কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ ঘিরে উত্তপ্ত দিনহাটা। তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে ভোটারদের মারধরের অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। তৃণমূল কর্মীদের হামলায় এক বিজেপি সমর্থকের মাথা ফেটেছে বলে জানা যাচ্ছে। বিজেপি সমর্থকদের পাল্টা হামলায় বেশ কয়েকজন তৃণমূল কর্মীও জখম হয়েছেন। সংঘর্ষের ঘটনা জানার পর প্রশাসনের কাছে রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
