ভোজ্যতেলের মূল্য নির্ধারণে কমিটি গঠন

ফাতেহ ডেস্ক:

ভোজ্যতেলের বাজার নিয়ন্ত্রণে কোনো সুখবর দিতে পারেননি বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। তবে দাম কমাতে টিসিবির মাধ্যমে ভোজ্যতেল বিক্রি বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। ভোজ্যতেলের যৌক্তিক মূল্য কোন তারিখে কেমন হওয়া উচিত, তা ঠিক করতে একটি কমিটি করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

রোববার দুপুরে সচিবালয়ে ভোজ্যতেলের ব্যবসায়ীদের সাথে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এই সিদ্ধান্তের কথা জানান বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

গেল ৬ মাসে আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের দাম ৭৫ শতাংশ বেড়েছে জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দাম কমাতে ব্যবসায়ী এবং ভোক্তাদের মাঝে ফড়িয়াদের দৌরাত্ম্য কমাতে হবে। দাম বাড়ার কারণ খুঁজে বের করতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় একটি কমিটি গঠন করেছে।

তিনি বলেন, ভোজ্যতেল ৯০ শতাংশ আমদানি করতে হয়। যখন আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বেড়ে যায়, সেটার প্রভাব পড়ে। জুলাই মাসে প্রতিটন ৭০০ ডলার ছিল, সেটা ১১০০ ডলারের ওপরে উঠেছে, মাঝখানে ১১৯০ ডলারও হয়েছিল। তার মানে অলমোস্ট ৭৫ শতাংশের ওপরে দাম বেড়েছে। আমাদের দেশেও তার দামের প্রভাব পড়েছে।

তিনি আরো বলেন, দেশের বাজারে এখন প্রতিকেজি খোলা সয়াবিন তেলের দাম ১৩০ টাকা, যা তিনমাস আগে ছিল ৯০ টাকা (দাম বেড়েছে ৪০ শতাংশ)। প্রতিলিটার ৯৫ টাকার সয়াবিন তেল এখন বিক্রি হচ্ছে ১২৫ টাকায়। সাম্প্রতিক সময়ে ভোজ্যতেলের এতো মূল্যবৃদ্ধি আগে ঘটেনি।

মন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে কী দাম হওয়া উচিত সেটা নিয়েই আলোচনা হয়েছে। বৈঠকের রেজাল্ট হল, কী প্রাইস হলে যৌক্তিক হয়, তার একটা ওয়েআউট করব। দেশীয় বাজার ও আন্তর্জাতিক বাজারের মধ্যে নজরদারি রাখার জন্য একটা কমিটি করা হয়েছে। ট্যারিফ কমিশন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে একটা চুলচেরা বিশ্লেষণ করার জন্য একটা কমিটি করার সিদ্ধান্ত এই মিটিং থেকে আমরা নিয়েছি।

তিনি বলেন, তেল আমদানিতে শুল্ক যেন বেশি দিতে না হয়, সেজন্য এনবিআরকে আবারো চিঠি দেয়া হবে।

এসময় ভোজ্যতেল ব্যবসায়ীরা জানান, সবাই মিলে বাজার স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা চলছে।

আগের সংবাদধর্ষণের শিকার নারীর গর্ভপাতকে বৈধতার সুপারিশ
পরবর্তি সংবাদবাইডেনের উদার নীতির সুফল পাবে বাংলাদেশ