ভোলায় প্রতিবাদী মুসল্লিদের ওপর পুলিশি হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন মুফতী ফয়জুল্লাহ

ফাতেহ ডেস্ক

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভোলার স্থানীয় হিন্দু যুবক কর্তৃক ইসলাম ও নবিজি সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামকে নিয়ে অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের প্রতিবাদে আয়োজিত জেলার বোরহান উদ্দীন উপজেলায় ধর্মপ্রাণ মুসলিম জনতার বিক্ষোভ সমাবেশে পুলিশি হামলা ও চার মুসল্লির শাহাদাতের প্রতিক্রিয়ায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মুফতী ফয়জুল্লাহ।

রোববার বিকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ইসলামি ধারার বিশিষ্ট এ রাজনীতিবিদ বলেন, ভোলায় আজকে যে ঘটনা ঘটল, তা খুবই ন্যাক্কারজনক। পুলিশ মানুষের নিরাপত্তার জন্য নিয়োজিত, কিন্তু সেই পুলিশের হাতেই চার চারটি তাজাপ্রাণ ঝরে পড়ল!

তিনি বলেন, এ দেশ ৯০ ভাগ মুসলমানের দেশ। ইসলাম, আল্লাহ তায়ালা এবং তাঁর রাসুল মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম এ দেশের ৯০ ভাগ মানুষের হৃদয়ের স্পন্দন। মহান আল্লাহকে নিয়ে, নবিজিকে নিয়ে, ইসলামকে নিয়ে কেউ কটূক্তি করলে তাঁদের কলিজায় আঘাত লাগে। কটূক্তিকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি দাবিতে তাঁদের সোচ্চার হওয়া ইমানি দাবি। এই দাবি পূরণে তাঁরা ভোলার বোরহানুদ্দিন উপজেলায় একত্রিত হয়েছিলেন। কিন্তু পুলিশ এখানে এমন ন্যাক্কারজনক হামলা চালিয়ে এ দেশের মুসলিম জনতার কলিজায় আঘাত দিয়েছে।

যাদের ইন্ধনে এই হামলা হয়েছে এবং পুলিশের যে সমস্ত সদস্য এমন বর্বরতা চালিয়েছে অনতিবিলম্বে তাদেরকে বিচারের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তি প্রদানের জোর দাবি জানান মুফতী ফয়জুল্লাহ। পাশাপাশি যে হিন্দু ছেলেটি ইসলাম ও নবিজিকে নিয়ে কটূক্তি করেছে তাঁরও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান তিনি।

তিনি বলেন, অনতিবিলম্বে এদের শাস্তি নিশ্চিত না করলে এ দেশের তওহিদি জনতা একযোগে আবারও গর্জে উঠবে। তখন এ জনরোষ সরকার কিংবা প্রশাসন কারও জন্যই ভালো হবে না।

আরও পড়ুন : ভোলায় মুসল্লিদের উপর পুলিশি হামলা, নিহত বেড়ে ৪

আগের সংবাদহাইকোর্টে অতিরিক্ত ৯ বিচারপতি নিয়োগ
পরবর্তি সংবাদভোলায় নবিপ্রেমিক শহিদদের প্রতি ফোঁটা রক্তের বদলা নেওয়া হবে : আল্লামা বাবুনগরী