
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
মসজিদে নববিতে শতাধিক দরজা রয়েছে। এই দরজাগুলো যেমন দৃষ্টিনন্দন, তেমনি শৈল্পিক কারুকার্যমণ্ডিত। এই দরজাগুলো তৈরিতে প্রচুর পরিমাণ কাঠের প্রয়োজন ছিল। তখন বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে কাঠ আমদানি করা হয়। কাঠগুলো শুকানো হয় ব্রিটেনে। দরজা তৈরি করা হয় স্পেনে। সর্বশেষ দরজার ওপর কারুকার্য এবং সোনারং দেয়া হয় ফ্রান্সে। ফলে শিল্পীদের হাতের ছোঁয়ায় দরজাগুলো শুধু দরজা থাকে না, হয়ে উঠে স্থাপত্যশিল্পের বিশেষ নিদর্শন।
বাদশা ফাহাদের শাসনামলে মসজিদ নববী সম্প্রসারণের পর, দরজার জন্য ‘সাজ’ গাছের ১৬০০ ঘনমিটারের বেশি কাঠ ব্যবহার করা হয়।
একেকটি দরজায় ব্যবহার করা হয় ১৫০০ এরও বেশি কারুকার্য খচিত কাঠের টুকরা । দরজার মাঝখানে বৃত্ত আকারে লেখা হয় ‘মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ’। দরজাগুলো ৩ মিটার চওড়া, ৬ মিটার উঁচু এবং ১৩ সেন্টিমিটারের বেশি পুরু। একেকটি দরজার ওজন সোয়া টন। দরজা এক হাত দিয়ে খোলা ও বন্ধ করা যায়।
মসজিদ নববির কিছু দরজা আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ফার্নিচার নির্মাতা কোম্পানি ‘আজিজি’ তৈরি করেছে। দরজাগুলোর চারপাশে রয়েছে একটি ব্রোঞ্জ বৃত্ত; এর উপরের অংশে লেখা ‘উদখলুহা বিসালামিন আমিনিন’। অসংখ্য দরজায় রয়েছে আখরোটের কাঠের ওপর পিতলের নকশা।
সূত্র: আল আরাবিয়া নেট
