
ফাতেহ ডেস্ক:
নারায়ণগঞ্জে মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধদের মধ্যে আরো একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ২৮ জনে। দগ্ধদের মধ্যে ৮ জনের অবস্থা এখনো সঙ্কটাপন্ন। তবে মামুন নামের একজন সুস্থ হয়ে আজ বাড়ি ফিরে গেছেন।
তিতাস গ্যাসের তদন্ত কমিটির প্রধান জানিয়েছেন, মসজিদ থেকে কিছুটা দূরে একটি বাড়ির বন্ধ থাকা গ্যাসের সংযোগ লাইনে দুটি ছিদ্র পাওয়া গেছে। অন্যদিকে এই ঘটনায় ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন নিহতদের পরিবারের সদস্যরা।
গত শুক্রবার রাতে বিস্ফোরণের ঘটনায় অন্তত অর্ধশত মুসল্লি মারাত্মকভাবে দগ্ধ হন। ৩৭ জনকে ভর্তি করা হয় রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউট হাসপাতালে। তাদের মধ্যে ২৮ জন মারা গেছেন। ৮ জনের অবস্থা এখনো সঙ্কটাপন্ন। তাদের রাখা হয়েছে আইসিউতে।
এদিকে বিস্ফোরণের পর তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ, জেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস ও ডিপিডিসির পক্ষ থেকে চারটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। গ্যাসের লিকেজ ও বিদ্যুতের অবৈধ সংযোগ থেকে বিস্ফোরণের বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে তারা।
তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের গঠিত তদন্ত কমিটির প্রধান আব্দুল ওহাব জানান, মসজিদের নীচে কোন পাইপ লাইন আছে কিনা তা এখনো জানা যায়নি। তবে কিছুটা দূরে বন্ধ থাকা একটি সংযোগের পাইপে দুটি ছিদ্র পাওয়া গেছে।
অন্যদিকে মঙ্গলবার সকালে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের তদন্ত কমিটি কথা বলেন তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ ও সংশি¬ষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে। পুলিশ সুপার জাহিদুল আলম জানিয়েছেন তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন তারা।
এদিকে বিস্ফোরণে নিহতদের পরিবারের সদস্যরা নারায়ণগঞ্জে সংবাদ সম্মেলন করে ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন।
