ফাতেহ ডেস্ক :
রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করায় পশ্চিম আফ্রিকান দেশ গাম্বিয়াকে অভিনন্দন জানিয়েছে বাংলাদেশ।
সোমবার সন্ধ্যায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড.একে আবদুল মোমেন বলেন,‘আমরা এটিকে স্বাগত জানাই। এটি ওআইসির সিদ্ধান্ত, এটি একটি ভালো খবর যে, ওআইসি কিছু দায়িত্ব নিচ্ছে।’
আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থার রিপোর্টে বলা হয়,‘অতিদ্রুত মিয়ানমারে গণহত্যা বন্ধে আন্তর্জাতিক আদালতের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মিয়ানমারের গণহত্যার অভিযোগে সোমবার দিনের প্রথমভাগে গাম্বিয়া হেগে অবস্থিত আইসিজেতে এই মামলা দায়ের করে।’
আফ্রিকান দেশটি বলেছে, ৫৭ সদস্যের ওআইসি’র পক্ষ থেকে তারা মিয়ানমারের বিরুদ্ধে ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসে এই মামলা দায়ের করেছে। জাতিসংঘ সমর্থিত এটি হচ্ছে সর্বোচ্চ আদালত। বাংলাদেশ ও গাম্বিয়া ওআইসির সদস্য রাষ্ট্র, মিয়ানমারসহ এই তিনদেশই ১৯৪৮ জেনোসাইট কনভেনশনে স্বাক্ষরদাতা।
এতে বলা হয়েছে কোন দেশই গণহত্যায় যুক্ত হতে পারবে না, শুধু তাই নয় কোন দেশ গণহত্যা সংঘটিত করলে স্বাক্ষরদাতা সব দেশ তা প্রতিরোধ করবে এবং তাকে শাস্তির মুখোমুখি করবে।
ফরাসি সংবাদ সংস্থা এএফপি’র রিপোর্টে বলা হয়,রক্তাক্ত সামরিক অভিযানের মাধ্যমে গণহত্যা সংঘঠিত করায় জাতিসংঘ জেনোসাইট কনভেনশনের আওতায় মিয়ানমারকে অভিযুক্ত করেছে গাম্বিয়া। এই অভিযানের কারণে লাখ লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।
গাম্বিয়ার বিচার মন্ত্রী আবুবাকার তামবাদুর বক্তব্য উদ্ধৃত করে রয়টার্সসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থার রিপোর্টে বলা হয়,‘জেনোসাইট কনভেনশনের অধীনে আমরা আইসিজেতে অভিযোগ দায়ের করেছি,আমাদের লক্ষ্য নিজের দেশের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে গণহত্যা সংঘটিত করার জন্য মিয়ানমারকে বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করানো।’
