মুসলমানদের মধ্যে ‘সহিংস’ তরিকায় কেন আগ্রহ বেশী?  

মুনশী নাঈম

‘খৃস্টান সাইন্স মনিটর’ সালমা আদেলের একটা গল্প ছেপেছিলো। সালমা আদেল ১৮ বছর বয়সী এক আরব কিশোরীর ছদ্মনাম। সারাক্ষণ আইফোনে ব্যস্ত থাকে। পিৎজা এবং ফ্রেঞ্চফ্রাই তার প্রিয় খাবার। সালমা ছিলো তার বাবার আদরের পুতলী। প্রতিদিনের মতো সেদিন সকালেও সালমা কলেজে যায়, ক্লাস করে, কিন্তু আর কখনও বাড়ি ফিরে আসে না।সালমাকে খুঁজতে গিয়ে বেরিয়ে আসে রহস্য।  কলেজের সিসিটিভিতে দেখা যায়, সালমা কলেজের পেছনের গেট দিয়ে বেরিয়ে যায়। এরপর বিমানবন্দরে গিয়ে সিরিয়ার টিকেট কিনে সিরিয়া পাড়ি জমায়।

এমনই আরেকটি গল্প প্রকাশ করেছে ‘নিউইয়র্ক টাইমস’। ১৬ বছর বয়সী খাদিজা সুলতানা পরিবারের সঙ্গে লন্ডন থাকতো। তার মা বলছিলো, পালিয়ে যাবার আগের দিন রাতে সে তার রুমে ড্যান্সও করেছে। কিন্তু কী হলো, সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে পারফিউম ইউজ করে প্রস্তুত হলো। আমাকে এসে বললো, ‘আজ কলেজ ছুটি। তাই বোরিং বসে না থেকে লাইব্রেরী থেকে সময় কাটিয়ে আসি। কিন্তু খাদিজা সেই যে বেরিয়ে গেলো, আর ফিরে আসেনি। সে তার কয়েকজন বান্ধবীর সঙ্গে সিরিয়া চলে গেছে। সিরিয়া চলে যাবার কয়েকমাস পর আমাকে চিঠি লিখে।’

ঘটনাগুলো বিচ্ছিন্ন নয়। পত্রিকায় এমন ঘটনা অহরহ প্রকাশিত হচ্ছে। বিগত তিন চার বছরে আরব দেশ এমনকি ইউরোপ, আমেরিকায় এ ধরনের ঘটনা ক্রমেই বেড়ে চলছে। খুঁজলে দেখা যায়, এরা ধনী পরিবারের সন্তান। মেধা ও প্রতিভায় সৃজনশীল। কিন্তু হঠাৎ করেই কেন তারা আয়েশি জীবন ছেড়ে জড়িয়ে পড়ছে ‘সহিংসতায়’ , চলে যাচ্ছে সিরিয়ায়?

‘সহিংস’ জযবার উৎপত্তি

বিশ্লেষকগণ বলছেন, ‘সহিংস যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বার পেছনে সামাজিক একটা কারণ আছে। দীর্ঘদিন ধরে সমাজের মানুষগুলো দারিদ্র্য, প্রান্তিককরণ, বেকারত্ব এবং রাজনৈতিক অবিচার ও প্রতিহিংসার শিকার। তাই তারা প্রতিশোধ নেয়া কিংবা শক্তি প্রদর্শনের জন্য এসব সহিংস আন্দোলনে আগ্রহী হয়ে উঠছে।’ কিন্তু বিশ্লেষকদের এই কারণ ধোপে টিকে না যখন প্রশ্ন উঠে, যারা সহিংসতায় জড়াচ্ছে, তারা তো স্বচ্ছল পরিবারের সন্তান। দারিদ্র্য, বেকারত্ব—কোনটারই স্পর্শ নেই তাদের গায়ে। তাহলে তারা গেলো কেন?

এখানে এসে আমাদের একদম গোড়ায় যেতে হয়। সেই ত্রিশের দশকে স্প্যানিশ গৃহযুদ্ধ সংঘটিত হলো যখন, বলা যায় তখন থেকেই সহিংস আন্দোলনে যোগ দেয়া শুরু করে অনেক তরুণ-তরুণী। যে সমস্ত তরুণ তরুণী রোমান্টিক অনুভূতি লালন করে, রাষ্ট্র যখন তাদের ওপর কর্তৃত্ব চাপিয়ে দিতে চায়, তখনই তারা চ্যালেঞ্জ হিসেবে সহিংস আন্দোলনকে বেছে নেয়।

২০০১ সালের ২০ সেপ্টেম্বর। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ ডাব্লিউ বুশ টুইন টাওয়ার হামলার নয়দিন পর গুরুত্বপূর্ণ একটি রাষ্ট্রপতির ভাষণে বলেন,’আমেরিকার অধিবাসীরা জানতে চায়, কেন তারা আমাদের ঘৃণা করে। আসলে তারা গনতন্ত্রকে ঘৃণা করে। আমাদের চলার, বলার এবং ধর্মীয় স্বাধীনতাকে ঘৃণা করে। আমাদের ঐক্যকে ঘৃণা করে। ইতিপূর্বেও দেখেছি। এরা বিংশ শতাব্দীর ‘সন্ত্রাসী আদর্শে’র অনুসারী। এরা অনুসরণ করে ফ্যাসিবাদ, নাৎসিবাদ।’

টুইন টাওয়ার হামলা  ‘সহিংস আকর্ষণ’ নিয়ে অধ্যয়ন করতে বিশ্লেষকদের আবার উৎসাহিত করে। যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি ইনস্টিটিউট থেকে প্রকাশিত বিশেষ এক সমীক্ষায় বিশ্লেষকরা তুলে আনেন তরুণ-যুবকদের আল কায়েদায় যোগ দেবার কারণসমূহ। তারা মৌলিক চারটা কারণ সেখানে উল্লেখ করেন। ১. প্রতিশোধ নেয়া ২. আত্মসম্মান বাড়ানো ৩. সবাইকে এক জাতির অন্তর্ভুক্তকরণ ৪. একঘেয়েমি জীবন থেকে মুক্তি এবং এডভেঞ্চারের রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা অর্জন।

আমেরিকার কাছে এই কারণগুলো অনেকটা তামাশার মনে হলেও, আসলেই এটা সত্য।

২০১৫ সালের মার্চ মাসে ‘কোয়ান্টাম ইনস্টিটিউট অফ কমিউনিকেশন’ থেকে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। বিভিন্ন ‘সহিংস’ সংঘঠনের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে সাজানো হয় এই প্রতিবেদন। প্রতিবেদক সহিংস দলগুলোকে আটটি ভাগে ভাগ করেছেন এবং তাদের উদ্দেশ্যগুলো শ্রেণিবদ্ধ করেছেন। উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো—আত্মসম্মান ও সামাজিক মর্যাদা বাড়ানো, প্রতিশোধ, জুলুম থেকে মুক্তি, অর্থনৈতিক সমতা বাস্তবায়ন , আদর্শ বাস্তবায়ন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ইত্যাদি।

তারা যে ধরনের শ্রেণিবিন্যাস করেছে, এতে ফ্লোরিডা সমকামি ক্লাবে হামলাকারী ওমর মতিনের নামও উঠে আসতে পারে। স্থানীয় সংবাদপত্রের বর্ণনায়, ওমর মতিন প্রায়ই ক্লাবে আসতেন এবং মদপান করতেন। ধর্মের প্রতি তার কোন আকর্ষণ ছিলো না। আর ধর্মীয় গোষ্ঠীর ‘সহিংস’ দলে যোগ দেয়া তো দূরের কথা। সুতরাং এমন লোকদেরও যদি ‘সহিংস’ শ্রেণিতে ফেলা হয়, তাহলে তাহলে আটটা নয়, শ্রেণি আরও বাড়বে।

তবে ‘সহিংসতাকারী’ দলগুলো তাদেরই নিয়োগ দেয়, যারা ইচ্ছে করে যোগ দিতে চায়। তাদের পেছনেই দল ইনভেস্ট করে। একজন দিয়ে আদর্শ প্রতিষ্ঠিত হয় না, সফলতা পায় না। এর জন্য লাগে দল। আর এই ‘সহিংসতাকারী’  দলগুলো রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রধান হাতিয়ার হিসেবে গ্রহণ করেছে ‘সহিংস তরিকা।’ পশ্চিমের ভাষায় ‘সহিংস আন্দোলন’।অনেকের ভাষায় জিহাদি তরিকা, তবে তরিকা অনেকগুলো থাকায়, তাদের প্রত্যেকেই আবার অপরকে ‘জিহাদি’ বলতে নারাজ।

এরিক হোভারের বিশ্লেষণ

গণ-আন্দোলন আর ‘সহিংসতাকারী’ দলদুটো এক নয়। একটা আরেকটা থেকে আলাদা। গঠন এবং সংগঠন দুটোরই ভিন্ন। পঞ্চাশের দশকে আমেরিকার দার্শনিক এরিক হোভার ‘প্রকৃত বিশ্বাসী’ এবং ‘সত্যবাদী বিশ্বাসী’ শিরোনামে গণ-আন্দোলনের গতি ও প্রকৃতি এবং গঠন ও সংগঠন বিষয়ে প্রসিদ্ধ দুটি বই লিখেছেন। বই দুটিতে লেখক গণ-আন্দোলনের কর্মীরা আন্দোলনের উদ্দেশ্যগুলো কতটুকু ধারণ করে, তা নিয়ে সন্দেহ পোষণ করলেও বিষয়টা নিয়ে তর্ক বাড়াননি।

তিনি বলেছেন, ‘গণ-আন্দোলনে যারা যোগ দেয়, তারা বাস্তবে কর্মক্ষম একটি আন্দোলন দেখতে চায়। তারা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক আন্দোলনে সুইচ করতে চায়।’

মূলত আমরা এখানে তরুণ-যুবকদের সুইচ করে ‘সহিংস’ দলে যোগ দেওয়ার ব্যাপারটি নিয়ে আলোচনা করছি। যারা শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবর্তন উপেক্ষা করে ‘সহিংস আন্দোলনে’ যোগ দিয়েছে।

উদাহরণ স্বরূপ মিশরের ব্রাদারহুডের প্রসঙ্গ তোলা যায়। ২০১৩ সালে জুলাইয়ে ব্রাদারহুডের অভ্যুত্থানের পর, ‘পরিবর্তনের জন্য সহিংসতার ব্যবহার’ পদ্ধতি নিয়ে দলের নেতাদের মধ্যে বিতর্ক হয়। বৌদ্ধিক এই বিতর্কের কারণে শক্ত শৃঙ্খলাবদ্ধ সংগঠনটি আস্তে আস্তে তাদের সদস্যদের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারাতে থাকে। আপাত দৃষ্টিতে রাজনৈতিক ময়দানে ব্যর্থ হয়। মিসরের ব্রাদারহুড দল নিয়ে যত বিতর্কই হোক, ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গি লালন করা মিসরের যুবকদের ‘ সহিংস’ দলে যোগ দেয়া কিন্তু কমছে না, বরং বাড়ছেই। তাদের ইসলামি সংস্থাগুলোর অকার্যকর কর্মক্ষমতা এবং রাজনৈতিক ক্ষেত্রে ব্যর্থতা-ই তরুণদের ‘সহিংস’ দলে যোগ দেবার বড় একটি কারণ। এই ‘সহিংস’ দলগুলো মিডিয়া কাভারেজও পেয়েছে সাফল্যজনকভাবে।

কর্মক্ষমতার দিক দিয়ে ‘সহিংস’ দলগুলো ইসলামি রাজনৈতিক দলগুলোর চেয়ে গণ-আন্দোলনের নিকটতম হিসেবে বিবেচিত হয়। ‘সহিংস’ দলগুলো তাদের উদ্দেশ্য ভালোভাবে জানে এবং সেই উদ্দেশ্যগুলো সঠিকভাবে মানুষের সামনে ফুটিয়ে তুলতে পারে। একবিংশ শতাব্দীর এই বিশ্বায়নের যুগে সঠিক বার্তাটা দক্ষতার সাথে পৌঁছে দিতে হয় টার্গেট অডিয়েন্সের কাছে। ‘সহিংস’ দলগুলো এই কাজটা খুব পারে। মিডিয়া এবং অাধুনিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে তারা এমনভাবে প্রচারণা চালায়, আটকে রাখা কঠিন। গবেষক অলিভিয়ার রোয়া বলেছেন, ”সহিংস’ আন্দোলন রাজনৈতিক ইসলাম নয়, বরং বিশ্বায়নের মাধ্যমেই জন্মগ্রহণ করেছে। যদিও প্রযুক্তিগুলো তাদের প্রচারের বৃহত্তর সুযোগ দেয়, কিন্তু তরুণ দর্শকদের কাছে তারা এমনিতেই আকর্ষণীয়।’

২০১৫ সালের জানুয়ারিতে সিনাই উপত্যকায় মিসরীয় পুলিশ অধিনায়ক আয়মান দাসুকি হত্যার ভিডিও প্রকাশ করে আইএস। সেখানে তারা প্রতিশোধ নেয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে। ভয় দেখানো নয়, মনস্তাত্ত্বিকভাবে পরিবর্তন অনুসন্ধানকারী তরুণ দর্শকদের মনোযোগ আকর্ষণের জন্য শক্তি প্রদর্শন করে দেখায় ‘সহিংস’ দলগুলো। সঙ্গে ব্রাদারহুডের পতনের পর প্রতিশোধ নেবার উৎসাহ দিয়ে ইসলামি রাজনৈতিক দলগুলোর কর্মীদেরও কাছে টানতে চেষ্টা করছে তারা।

অন্য দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখলে শক্তির ভরসায় জেগে থাকে আশা। শক্তি থাকলেই মানুষ আশা করতে পারে। শক্তি প্রদর্শন করে তারা তরুণদের আশা জাগিয়ে তুলে। সেটা ব্যক্তিগত আশা হোক, সম্পদ অর্জনের আশা হোক, ব্যক্তিগত কিংবা সামাজিক প্রতিশোধ নেবার আশা হোক।

আলেম ও ইসলামপন্থীদের ব্যাখ্যা

তরুণরা কেন সহিংসতায় জড়াচ্ছে এ নিয়ে আলেম ও ইসলামপন্থীদের মধ্যে স্পষ্ট বক্তব্য পাওয়া কঠিন। তবে যারা প্রচলিত ধারার রাজনীতির সাথে জড়িত, তারা মনে করেন, মুসলিম দেশগুলোতে রাজনৈতিক স্বৈরাচারের বিস্তার, অর্থনৈতিক অসাম্য, ধর্মীয় মূল্যবোধ, আইন ও সংস্কৃতির বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান আক্রমণ, মুসলিম বিশ্বে পশ্চিমা হস্তক্ষেপ ও জাতিসংঘের মতো আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষপাতিত্ব মুসলিম তরুণদের মধ্যে ক্রোধের জন্ম দিয়েছে। যে ক্রোধের মীমাংসা করার জন্য তারা সহিংস তরিকা বেছে নিয়েছেন।

আলেমদের দিক থেকেও সহিংসতার স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায় না। তাদের অনেকে যেমন সব ধরনের সহিংসতার বিরোধিতা করেন, আবার অনেকে শর্তহীনভাবে সহিংসতার প্রতি টান বোধ করেন। অধিকাংশই চুপ থাকাকে শ্রেয় মনে করেন।

ঐতিহাসিকভাবে মুসলিম সভ্যতায় প্রতিরোধ ও আক্রমনাত্মক জিহাদের মধ্য দিয়ে মুসলমানরা সহিংসতার চর্চা করেছে। আধুনিক যুগে জিহাদের পরিসর সংকুচিত হয়ে গেছে। ফলে সমাজে অবস্থিত সহিংস বোধ ও চর্চার স্বাভাবিক বিকাশ ঘটেনি। তবে আলেম সমাজ ও ইসলামপন্থীদের বিদ্যমান রাজনীতিতে ব্যর্থতা এই অস্বাভাবিক বিকাশের স্থায়িত্ব বাড়াচ্ছে ও অনেক দুর্ঘটনার জন্ম দিচ্ছে। একটা সমাজে সহিংস বোধ ও চর্চা থাকা অস্বাভাবিক নয়। তবে আমাদের রাষ্ট্র ধর্মীয় সমাজ ইসলামপন্থীরা এর স্বাভাবিক পরিসর বের করতে ব্যর্থ হচ্ছেন।

শেষকথা

২০১৫ এর জুলাইয়ে আন্তর্জাতিক শান্তির গবেষণার জন্য কার্নেগি এন্ডোমেন্টের তদন্তে গবেষক নাথন ব্রাউন এবং মিশেল ডান এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন যে, রাষ্ট্রীয় সুরক্ষা দ্বারা ক্রাকডাউন করার মাধ্যমে মুসলিম ব্রাদারহুডকে লাঞ্চিত করা হয়েছিলো। ফলশ্রুতিতে তরুণ প্রজন্ম  রাষ্ট্রপতি আবদেল ফাত্তাহ আল সিসির শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিতে উঠেপড়ে লাগে। মিসরে মুসলিমমুখী যুবসমাজের এই মেজাজ সহসাই পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। যতদিন ‘সহিংস’ মেজাজের প্রাধান্য বজায় থাকে। তবে নতুন কর্মী যুক্ত করে অথবা নতুন দল গঠন করে গণ-তরঙ্গ সৃষ্টি করার সম্ভাবনাও খুব কম।

অন্যদিকে ইসলামি রাজনৈতিক দলগুলো সহিংস আক্রমণে যেতে পারবে না। পশ্চিমাদের তীব্র চাপের মুখে তারা শান্তিপূর্ণ পরিবর্তনের বিবৃতি দিয়েই চুপ থাকবে।

সবশেষে একটি কথা ধ্রুব সত্য—যতই চুপ রাখা হোক তাদের, শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক দলগুলোর চেয়ে ‘সহিংস’ দলগুলোই তরুণদের কাছে অনেক বেশি আকর্ষণীয়। এই আকর্ষণ খুব শিগগিরই কমবে না।

আল জাজিরা অবলম্বনে

সম্পাদকীয় দ্রষ্টব্য : ‘মুসলমানদের মধ্যে ‘সহিংস’ তরিকায় কেন আগ্রহ বেশী’ শিরোনামটার দ্বারা মূলত মুসলিম তরুণদের মধ্যে বর্তমানে সহিংস তরিকার প্রতি যে আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে, সেটাকেই বুঝানো হয়েছে। শিরোনাম-বাক্যের বাহ্যিক দৃষ্টিকটূতা এখানে উদ্দেশ্য নয়।

আগের সংবাদবিয়ের রঙিন গেইট দিয়ে বের হলো বরের কফিন
পরবর্তি সংবাদজেএমবি’র উত্থান : আলেমরা কেন অন্ধ সহিংসতার বিরোধিতা করেছেন?