
ফাতেহ ডেস্ক
জাতীয় সংসদে কওমি মাদরাসাকে বিষবৃক্ষের সাথে তুলনা, ইসলামি অনুশাসনকে “মোল্লাতন্ত্র” এবং আল্লামা শাহ্ আহমদ শফীসহ আলেম সমাজকে কটাক্ষ করে রাশেদ খান মেননের উস্কানিমূলক বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম ঢাকা মহানগরের সেক্রেটারি ও ইসলামী ঐক্যজোটের ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা আবুল হাসানাত আমিনী। আজ গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ প্রতিবাদ জানান।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, গণবিচ্ছিন্ন নাস্তিক, চরমপন্থী বাম জঙ্গী রাশেদ খান মেনন কুরআন-সুন্নাহর বিধি-বিধান ও ইসলামি অনুশাসনকে “মোল্লাতন্ত্র” বলে গালি দিয়ে পক্ষান্তরে মহান আল্লাহ ও তাঁর রাসুলকে অপমানিত করেছে। হেফাজত আমির ও আলেমকুল শিরোমণি আল্লামা আহমদ শফী দা.বা.-কে ‘তেতুঁল হুজুর’ বলে কটাক্ষ করে গোটা আলেম সমাজসহ জাতীয় সংসদের তিনশত সদস্যকেও অবমাননা করেছে। তার এই বিদ্বেষমূলক বক্তব্যে দেশের কোটি কোটি আল্লাহ ও রাসুলপ্রিয় মানুষ ক্ষুদ্ধ ও ক্রুদ্ধ এবং ব্যথিত। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
বিবৃতিতে মাওলানা আবুল হাসানাত আমিনী হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, সরকারের অনুকম্পায় এমপি হয়ে রাশেদ খান মেনন জাতীয় সংসদে উস্কানিমূলক বক্তব্য দিয়ে দেশে দাঙ্গা লাগানোর পাঁয়তারা করছে। তার মতো বেয়াদব ও চরম ইসলাম-বিদ্বেষী জাতীয় সংসদের সদস্য থাকতে পারে না। অবিলম্বে তার সংসদ সদস্য পদ বাতিল করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে। তা না হলে জাতীয় সংসদ ভবন ঘেরাও করা হবে। সারা দেশে আন্দোলনের দাবানল জ্বলে উঠবে। এই আন্দোলনের লেলিহান শিখায় মেননদের কবর রচিত হবে ইনশাল্লাহ।
তিনি বলেন, এদেশের আলেম-উলামা ও ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ জাতীয় সংসদকে নাস্তিকমুক্ত দেখতে চায়। কারণ, এরা বিষধর সাপের চেয়েও ভয়ংকর। এখনই এই নাস্তিকদের উচ্ছেদ করা না গেলে ভবিষ্যতে সরকার ও জাতিকে চরম মূল্য দিতে হবে।
