মেলায় বিক্রি হচ্ছে কবরের জায়গা: অস্থায়ী কবর দেড় লাখ, স্থায়ী সাড়ে ৩ লাখ

মেলায় বিক্রি হচ্ছে কবরের জায়গা: অস্থায়ী কবর দেড় লাখ, স্থায়ী সাড়ে ৩ লাখ

ফাতেহ ডেস্ক:

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে পাঁচ দিনব্যাপী শীতকালীন রিহ্যাব ফেয়ার-২০১৯-এ বিক্রি হচ্ছে কবরের জায়গা। মৃত্যুর পর মরদেহ দাফনের জন্য দেড় থেকে সাড়ে তিন লাখ টাকায় মিলছে স্থায়ী ও অস্থায়ী কবরের জমি। এমআইএস হোল্ডিংস নামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান তাদের একটি প্রকল্পের আওতায় এ জমি বিক্রি করছে।

এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা মোজাম্মেল হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, পূর্বাচল রাওজাতুল জান্নাত প্রকল্পের আওতায় কবরের জমি বিক্রি করা হচ্ছে। প্রায় ২০০ বিঘা জমির উপর এ প্রকল্পের কাজ চলছে। এর সঙ্গে কবরস্থানসহ মসজিদ-মাদরাসা, এতিমখানা ও বৃদ্ধাশ্রম তৈরি করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, স্থায়ী কবরের মূল্য ৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা। এর সঙ্গে ২০ হাজার টাকা সার্ভিস চার্জ রয়েছে। সব মিলিয়ে একটি স্থায়ী কবর কিনতে লাগবে সাড়ে তিন লাখ টাকা। যিনি স্থায়ী কবরের জন্য জমি কিনবেন তাকে সাব-কাবলা রেজিস্ট্রি করে দেওয়া হবে। এই জমি আর কাউকে দেওয়া হবে না।

আর অস্থায়ী কবর হচ্ছে ১০ ও ২০ বছর মেয়াদি। অর্থাৎ নির্ধারিত সময়ের পর এসব কবর আবারও ব্যবহার করা হবে। ২০ বছর মেয়াদি কবরের মূল্য সার্ভিস চার্জসহ ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং ১০ বছর মেয়াদি কবরের মূল্য এক লাখ ৩০ হাজার টাকা।

তিনি বলেন, আমাদের এখানে শুধু কবরস্থান করা হবে, তা নয়। এখানে মসজিদ, মাদরাসা, এতিমখানা ও বৃদ্ধাশ্রম করা হচ্ছে। কবরের জায়গা বুকিং দিচ্ছে সেই টাকার একটি অংশ দিয়ে এসব করা হবে। অর্থাৎ গ্রহক কবর কিনলে মসজিদ, মাদরাসা, এতিমখানা ও বৃদ্ধাশ্রম স্থাপনের অংশীদার হবেন।

মোজাম্মেল হোসেন আরো জানান, কবর বুকিং দেওয়া ব্যক্তি মারা গেলে তার স্বজনরা আমাদের জানানোর সঙ্গে সঙ্গে মরদেহ সম্পর্কিত সব আনুষ্ঠানিকতা আমরা নিজেরাই করব। মরদেহের গোসল করানো, জানাজা ও দোয়াসহ দাফন সব কিছু আমরাই করবো। এছাড়া সার্বক্ষণিক কবর রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে।

আগের সংবাদউইঘুর মুসলিমদের সমর্থনে করা সেই টুইট মুছে ফেললেন শহিদ আফ্রিদি
পরবর্তি সংবাদখাশোগজি হত্যার বিচারে ছাড় দেওয়া হয়েছে যুবরাজের সহযোগীদের, বিশ্বব্যাপী সমালোচনা