মোজাম্বিক ও জিম্বাবুয়েতে ঘূর্ণিঝড় ইদাইয়ে ৩০০ জনের মৃত্যু

ফাতেহ ডেস্ক

ঘূর্ণিঝড় ইদাইয়ের আঘাতে মোজাম্বিক ও জিম্বাবুয়েতে কয়েকদিনে মারা গেছেন অন্তত ৩০০ জন। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দুর্গত এলাকায় দেখা দিয়েছে সুপেয় পানি ও খাদ্যের তীব্র সংকট। বন্যা কবলিত এলাকায় এখনও আটকা পড়ে আছে অনেকে।

১৪ মার্চ মোজাম্বিকে ঘণ্টায় ১৭৭ কিলোমিটার বেগে আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড় ইদাই। মোজাম্বিক ছাড়াও ইদাইয়ের আঘাতে লণ্ডভণ্ড হয় পাশের দুই দেশ জিম্বাবুয়ে ও মালাওই। ভয়াবহ এই বিপর্যয়ে এরই মধ্যে মৃত্যু হয়েছে কয়েকশ’ মানুষের। সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন প্রায় লাখো মানুষ।

দুর্গত এলাকায় দেখা দিয়েছে খাদ্য আর সুপেয় পানির তীব্র সংকট। ঘূর্ণিঝড়ের কারণে সৃষ্ট বন্যার পানিতে আটকে পড়াদের উদ্ধারে হিমশিম খাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা। বাধ্য হয়ে অনেকেই আশ্রয় নিয়েছেন বাড়ির ছাদে। উদ্ধারের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে গর্ভবতী নারী, শিশু ও আহতদের।

ইদাইয়ের আঘাতে জিম্বাবুয়েতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চিমানিমানি এলাকা। বুধবার সেখানকার পরিস্থিতি দেখতে যান দেশটির প্রেসিডেন্ট। ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ত্রাণ আনার কথা জানান তিনি।
জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্ট এমারসন এমনানগাগওয়া বলেন, “আমি শুনতে চাই না, একজন মানুষও ক্ষুধার কারণে মারা গেছে। আমাদের যথেষ্ট খাবার আছে যেগুলো বিভিন্ন জায়গা থেকে সংগ্রহ করা হচ্ছে। ধ্বংস হওয়া সেতুগুলো ঠিক করতে প্রকৌশলীরা উদ্যোগ নিচ্ছেন।”

তবে দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সরকার ব্যর্থ হচ্ছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।

দুর্যোগ মোকাবেলায় ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য ২০ মিলিয়্ন ডলার সহায়তা বরাদ্দ করেছে জাতিসংঘ। পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ব্রিটেনও সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

আগের সংবাদ‘উন্নয়ন করতে গিয়ে গরিব মানুষের জীবন ও জীবিকা যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়’
পরবর্তি সংবাদপার্বত্য চট্টগ্রাম : ঝুঁকিতে মসজিদ-মাদরাসা-ধর্মীয় সম্প্রদায়