যুব মজলিসের বিক্ষোভ : ‘যমুনা টিভির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে সারা দেশে আন্দোলন’

যুব মজলিসের বিক্ষোভ : ‘যমুনা টিভির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে সারা দেশে আন্দোলন’

ফাতেহ ডেস্ক :

বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল যমুনা টিভিতে শায়খুল হাদীস আল্লামা আজিজুল হক রহ.-কে ‘জঙ্গিনেতা’ হিসেবে উপস্থাপন করে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন শায়খুল হাদীসের ছেলে ও খেলাফত যুব মজলিসের প্রধান মাওলানা মামুনুল হক।

আজ সোমবার বাদ আসর মুহাম্মাদপুরের আল্লাহ করীম জামে মসজিদের সামনে বিক্ষোভ মিছিলের পূর্বে দেয়া এক বক্তব্যে মাওলানা মামুনুল হক বলেন, যমুনা টিভির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে সারাদেশে আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে।

বক্তব্যে তিনি বলেন, আমরা জানি মিডিয়ার যুগে কালোবাজারি আর কালো টাকার মালিকেরা তাদের অপরাধ ঢাকতে মিডিয়া লালন-পালন করে। এই বাস্তবতার ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের অন্যতম ভূমিদস্যু যমুনা গ্রুপও যমুনা টিভি লালন করছে।

মামুনুল হক বলেন, তারা উপমহাদেশের সর্বজনশ্রদ্ধেয় এবং শীর্ষস্থানীয় আলেম আল্লামা আজিজুল হক রহ. সম্পর্কে বেয়াদবিমূলক কথা বলেছে। আমরা আশা করি সরকার অবিলম্বে এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। না হয় সারাদেশে আল্লামা আজিজুল হক রহ.-এর লক্ষ লক্ষ ছাত্র ভক্তবৃন্দ আন্দোলনে নেমে আসতে বাধ্য হবে।

এ সময় তিনি বলেন, যমুনা টিভিকে এই মিথ্যা সংবাদের জন্য দেশের আপামর তৌহিদি জনতার কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। আগামী শুক্রবারের মধ্যে তারা যদি ক্ষমা না চায়, তাহলে সারা দেশে আন্দোলন গড়ে উঠবে।

তিনি আরও বলেন, খুব শিগগিরই যমুনা টিভির বিরুদ্ধে সরকারিভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আমরা আশা করছি। যদি না নেওয়া হয়, তাহলে আমরা আইন হাতে তুলে নিতে বাধ্য হবো। আশা করি সরকার আমাদেরকে সে পর্যন্ত যেতে বাধ্য করবেন না, এর আগেই ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। অন্যথায় আগামী ৬ ডিসেম্বরে ঐতিহাসিক সৌ্হরাওয়ার্দী ময়দান থেকে আমরা বৃহত্তর কর্মসূচী ঘোষণা করবো।

উল্লেখ্য, বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল যমুনা টিভির সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে দেশের অন্যতম প্রধান আলেম প্রয়াত শায়খুল হাদীস আল্লামা আজিজুল হককে জঙ্গিনেতা আখ্যা দেওয়া হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ধর্মীয় ঘরানার অ্যক্টিভিস্টরা এ ঘটনায় অভিযোগ তুলে বলছেন, যমুনা টিভি পরিকল্পিতভাবে এ দেশের ওলামায়ে কেরাম সম্পর্কে বিষোদগার করছে।

‘পুনরায় সক্রিয় হচ্ছে জঙ্গি সংগঠন’ শিরোনামে সম্প্রতি প্রচারিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, দেড় দশকে বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের বিশ জনেরও বেশি দলীয় প্রধান গ্রেপ্তার হয়েছে, কিন্তু পরবর্তী ধাপের নেতারা আবার ঠিকই সচল করেছে সংগঠন…।

প্রারম্ভিকার ওই বক্তব্যের পর দেখানো হয় পুরনো একটি প্রতিবেদন। যেখানে প্রতিবেদক দাবি করেন, শায়খুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হক নিষিদ্ধ-ঘোষিত সংগঠন হরকতুল জিহাদ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।

আগের সংবাদএড্রিক বেকার : মানবতাবাদী ডাক্তার নাকি ধর্মান্তরবাদী মিশনারি?
পরবর্তি সংবাদএনআরসি : অনুপ্রবেশ ঠেকাতে রাজশাহী সীমান্তে বিজিবি’র সঙ্গে পাহারায় গ্রামবাসী