যেভাবে হামলার শিকার হন আল্লামা তকি উসমানি

ফাইল ছবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মুসলিম বিশ্বের অন্যতম স্কলার, জাস্টিস আল্লামা তকি উসমানি আজ নিজ দেশ পাকিস্তানের করাচিতে গুলশানে ইকবাল এলাকায় আততায়ীর হামলার শিকার হয়েছেন। এতে তকি উসমানি প্রাণে বেঁচে গেলেও প্রাণ হারিয়েছেন তাঁর দুজন নিরাপত্তা-সদস্য। তাদের একজন পুলিশের নিরাপত্তারক্ষী ফারুক এবং অপরজন বেসরকারি সংস্থার নিরাপত্তারক্ষী সানোবার খান।

শুক্রবার দুপুরে করাচিতে ভয়াবহ এ হামলার ঘটনা ঘটে। খবর ডন ও জি নিউজের।

জানা যায়, তাকি উসমানিকে বহনকারী গাড়িসহ অপর একটি গাড়িতে হামলা চালানো হয়। এতে তাকি উসমানী ও তার স্ত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন। পুলিশ তাদেরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে।

তবে হামলার স্থান সম্পর্কে পাকিস্তানের পুলিশের কয়েকটি বক্তব্য এসেছে।

পাকিস্তানের প্রভাবশালী গণমাধ্যম ডন জানায়, প্রথমে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল হাইওয়ের ফয়সাল নার্সারির কাছে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে, পরে বলা হয়েছে গুলশান- ই-ইকবালের নিপাপুল এলাকার কাছে গুলিবর্ষণ হয়।

তাকি উসমানির গাড়িবহরে বহরে থাকা দু’টি গাড়ি টার্গেট করে গুলি চালায় সন্ত্রাসীরা।

করাচির গুলশান-ই-ইকবাল ও শারিয়া ফয়সাল এলাকায় প্রথমে দুটি পৃথক গুলিবর্ষণের খবর পাওয়া যায়। পরে গাড়ি দু’টি নিপা ফ্লাইওভারে হামলার মুখে পড়ে।

দু’টি মোটর সাইকেলে চারজন বন্দুকদারী মুফতি তাকি উসমানীর গাড়ির পেছন দিক থেকে গুলিবর্ষণ করতে করতে এগিয়ে যায়।

ওই সময় মুফতি তাকি উসমানির সঙ্গে তার স্ত্রী ও চার নাতি গাড়িতে ছিলেন।

দারুল উলুম করাচির মুখপাত্র তালহা রহমানী জানিয়েছেন, আল্লামা তাকি উসমানী প্রাণে বেচেঁ গেছেন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে রয়েছেন।

করাচির এডিশনাল আইজি আমির শেখ বলেছেন, এটি জঙ্গিবাদী কোনো হামলা নয়। পাকিস্তান ও করাচিকে অশান্ত করার পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।

সিন্ধু প্রদেশের আইজি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তাকি উসমানীকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করা হলেও তিনি নিরাপদে রয়েছেন।

আগের সংবাদ‘বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ’-প্রবণতা বাড়ছে, দায়ী কারা?
পরবর্তি সংবাদগ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাবের প্রতিবাদসহ পাঁচ দফা দাবিতে ৩০ মার্চ ঐক্যফ্রন্টের মানববন্ধন