
ফাতেহ ডেস্ক
ধর্ম প্রতিমন্ত্রী আলহাজ শেখ মো. আব্দুল্লাহ বলেছেন, সকল ধর্মীয় সম্প্রদায়ের উন্নয়নে সরকার পর্যাপ্ত উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করেছে। উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে ধর্মীয় ও সামাজিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য উন্নতি সাধন করতে পারবে। যা উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বৃহস্পতিবার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ২০১৯-২০ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিভুক্ত প্রকল্পসমূহ জুলাই ২০১৯ এর অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর অন্যতম অগ্রাধিকারমূলক প্রকল্প হলো দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় একটি করে মোট ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ। ইতোমধ্যে এ প্রকল্পের অধীনে যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করে ৫০১টি মসজিদ নির্মাণ কাজের দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে ৪৬২ মসজিদের নির্মাণ কাজের ওয়ার্ক অর্ডার প্রদান করা হয়েছে এবং ২৮০টি মসজিদের নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে এবং ছয়টি মসজিদের নির্মাণকাজের মধ্যে অর্ধেকের বেশি সম্পন্ন হয়েছে। অবশিষ্ট মসজিদের নির্মাণকাজ দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য ধর্ম প্রতিমন্ত্রী প্রকল্প পরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা প্রদান করেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় মসজিদ-মন্দির ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা প্রকল্পের মাধ্যমে প্রাক-প্রাথমিক ও নৈতিক শিক্ষা প্রদান করে উন্নত জাতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। গত অর্থবছরে সরকারের প্রাক-প্রাথমিক কর্মসূচিতে মোট ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ছিল ৩২ লাখ। এর মধ্যে ১২ লাখ ৪৬ হাজার শিশু ধর্ম মন্ত্রণালয় তিনটি প্রকল্পের মাধ্যমে শিক্ষা গ্রহণ করছে।
তিনি আরও বলেন, সরকার ২২৮ কোটি টাকা ব্যয়ে সারাদেশে এক হাজার ৮৬২টি মন্দির সংস্কার ও মেরামতের জন্য প্রকল্প গ্রহণ করেছে। এছাড়া ২৩ কোটি টাকা ব্যয়ে তিনটি কর্মসূচির মাধ্যমে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরসহ ১৯৯টি মন্দির সংস্কার ও মেরামতের কাজ প্রায় সম্পন্ন হয়েছে।
চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর সংস্থার মাধ্যমে মোট নয়টি প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। এজন্য মোট বরাদ্দের পরিমাণ ১০ কোটি ৭৪ লাখ ৪৭ হাজার টাকা।
