সুনামগঞ্জে ৬ নদীর ১৮ স্থানে ভাঙন, বিলিন হচ্ছে মসজিদ, কবরস্থান

ফাতেহ ডেস্ক:

সুনামগঞ্জে বিভিন্ন নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। এতে জেলার ৬টি নদীর ১৮ স্থানে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙনে বিলীন হচ্ছে সড়ক, গ্রামীণ জনপদ, হাট-বাজার, মসজিদ ও কবরস্থান।

জেলার সুরমা, কুশিয়ারা, নলজুর, বটেরখাল, মহাশিং ও পুরাতন সুরমা নদীর বিভিন্ন এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। জেলার জগন্নাথপুর, সুনামগঞ্জ সদর, দিরাই, শাল্লা, ছাতক, দোয়ারা, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ ও ধর্মপাশা উপজেলার হাটবাজার, গ্রামীণ জনপদ, মসজিদ ও কবরস্থান ইতোমধ্যে নদীগর্ভে চলে গেছে। ভাঙন ক্রমেই ভয়াবহ আকার ধারণ করছে।

সোমরার (১০ আগস্ট) খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নলজুর নদীর ভাঙনে হুমকির মুখে পড়েছে জগন্নাথপুর-শিবগঞ্জ সড়ক, জগন্নাথপুর পৌরসভার বাজার এলাকা, কুশিয়ারার ভাঙনে শাল্লা উপজেলার প্রতাপপুর, ফয়জুল্লাপুর, জগন্নাথপুরের আলমপুর-বালিশ্রী, বড়ফেচি, দিরাই উপজেলার আখিলশাহ, মহাশিং নদীর ভাঙনে দক্ষিণ সুনামগঞ্জের আক্তাপাড়া বাজার, সুরমা নদীর ভাঙনে ছাতকের নুরুল্লাপুর, মুক্তিরগাঁও, দোয়ারাবাজারের নূরপুর, সুনামগঞ্জ পৌরসভার উকিলপাড়া, জগাইরগাঁও, পৈন্দা, মোহনপুরের কবরস্থান ও ধর্মপাশার বাবুপুর ভাঙছে। পুরাতন সুরমার ভাঙনে সদর উপজেলার কলাইয়া গ্রাম বিলীন হতে চলেছে।

দোয়ারাবাজার উপজেলার মাঝেরগাঁওয়ের আব্দুল হান্নান বলেন, ‘গত ৩ দিনের ভাঙনে আমার বসতঘরের অর্ধেকের বেশি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এর আগে মাঝেরগাঁওয়ের আবুল হোসেন, ফয়জুল করিম, আজাদ মিয়া ও আব্দুল হাকিমের দোকানঘর নদীতে বিলীন হয়েছে।’

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) সুনামগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী সবিবুর রহমান জানান, পাউবোর নদী সংরক্ষণ প্রকল্পের ৪টি কাজ চলমান রয়েছে। কাজগুলো অত্যন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে করা হচ্ছে।

আগের সংবাদ‘সময়ের আগে সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হলে তার দায় ঠিকাদার এবং প্রকৌশলীর’
পরবর্তি সংবাদএ বছরেই তারের জঞ্জাল থেকে মুক্ত হবে ঢাকা দক্ষিণ