
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
সৌদি আরবের নতুন প্রকল্পের আওতায় দেশটির ১ হাজার ৪শ ৬০টি রাষ্ট্র পরিচালিত স্কুলে এখন থেকে ছেলেদের ক্লাস নেবেন নারী শিক্ষকরা। সৌদির অনেক বেসরকারি স্কুলে কয়েক দশক ধরেই প্রাইমারি লেভেলে নারী শিক্ষক দিয়েই শিশুদের শিক্ষাদান করা হলেও এবারই প্রথমবারের মতো সরকারি স্কুলে নারীদের এমন সুযোগ দেয়া হচ্ছে। খবর আরব নিউজ-এর।
শিক্ষা বোর্ডের সহকারি সাধারণ পরিচালক সুয়াদ আল মানসুর আরব নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, প্রাক প্রাথমিক স্কুলের আওতায় কিন্ডারগার্টেনে ছেলে এবং মেয়েদের বয়স চার থেকে পাঁচ বছর। আর প্রথম তিনটি প্রাথমিক গ্রেডে শিশুদের বয়স ৬ থেকে ৮ বছর। এই শিশু বয়সটা একজন মানুষের ব্যক্তিত্ব গঠনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সময়। এ সময় একটি শিশু যা শিখবে সেটার প্রভাবই তার পরবর্তী জীবনে পড়বে। নারী শিক্ষকরা শিশুদের প্রতি অনেক বেশি বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করেন এবং ভয়ভীতি কম দেখান। এটা শিশুদের বিকাশের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। নারীরা পুরুষ শিক্ষকদের তুলনায় ছোট শিশুদের বেশি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন।
তিনি আরও বলেন, কিন্ডারগার্টেন থেকে প্রাথমিকে যাওয়ার পর অনেক ছেলে শিশুই নানা ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হয়। তাদের এই প্রতিবন্ধকতা দূর করবে নতুন এই প্রকল্প। নারী শিক্ষকরা শিক্ষাদান করলে তাদের অভিজ্ঞতা আরও বেশি ফলপ্রসূ হবে। তারা মাতৃত্বের ছায়ায় শিক্ষাগ্রহণ করবে পারবে। ফলে লেখাপড়া নিয়ে তাদের কোনো ভয় বা আতঙ্ক থাকবে না। আর প্রাইমারি গ্রেডে ছেলে-মেয়েদের এক সঙ্গে কোনো ক্লাস হবে না। তাদের ক্লাসরুম, টয়লেট এবং অন্য সুযোগ-সুবিধা সব আলাদা থাকবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, নারী শিক্ষকরা ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ ছেলে শিশুকে শিক্ষাদান করবেন। এতে শিক্ষাক্ষেত্রে ৫৩৩ মিলিয়ন ডলার কম খরচ হবে।
