
ফাতেহ ডেস্ক:
শতাধিক আলেমের আর্থিক লেনদেনের তদন্ত চেয়ে জমা দেওয়া গণকমিশনের অভিযোগ আমলে নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগ অনুসন্ধানে দুদকের পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেনের নেতৃত্বে তিন সদস্যের অনুসন্ধানকারী দল গঠন করা হয়েছে। এ–সংক্রান্ত একটি দাপ্তরিক চিঠি মঙ্গলবার তিন কর্মকর্তাকে পাঠানো হয়।
অনুসন্ধানের জন্য নিযুক্ত অন্য দুই কর্মকর্তা হলেন দুদকের উপপরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহীম ও উপপরিচালক মো. আহসানুল কবীর। দুদকের পরিচালক উত্তম কুমার মণ্ডল এ চিঠি পাঠান।
চিঠিতে বলা হয়, ‘….গঠিত তিন সদস্যবিশিষ্ট টিমের মাধ্যমে বিশেষ অনুসন্ধান ও তদন্ত শাখা হতে অনুসন্ধানের সদয় অনুমোদন ও অনুসন্ধানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মহাপরিচালক (বিশেষ তদন্ত) বরাবর প্রেরণের জন্য কমিশন কর্তৃক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।’
গণকমিশন সম্প্রতি ১১৬ আলেম ও বক্তার একটি তালিকা গত ১১ মে দুর্নীতি দমন কমিশনে জমা দেয়। তালিকায় স্থান পাওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে জঙ্গি অর্থায়ন এবং ওয়াজের মাধ্যমে ধর্মীয় সম্প্রীতি নষ্ট করা ও ধর্মের নামে ব্যবসার অভিযোগ আনে গণকমিশন।
দুদকের দাপ্তরিক চিঠিতে দেখা যায়, ১২ মে দুদকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ অভিযোগ পরীক্ষা-নিরীক্ষাপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মহাপরিচালক (দৈনিক ও সাম্প্রতিক অভিযোগ সেলে) পাঠান। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক।
প্রসঙ্গত, গণকমিশনের শ্বেতপত্র নিয়ে ২১ মে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, গণকমিশনের আইনি কোনো ভিত্তি নেই। গণকমিশনের এই তালিকা সম্পর্কে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘যাদের নামে তাঁরা দুর্নীতির দায় দিচ্ছেন, এগুলো আমরা তদন্ত করিনি। দেখিও নাই। কাজেই এগুলো না দেখে বলতে পারব না। যে অভিযোগের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ হবে না, সেই অভিযোগ কখনো আমলে নেওয়া হবে না।’
