
ফাতেহ ডেস্ক:
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে দেশের ৫০টি জেলার ৪শ’ উপজেলাকে সম্পূর্ণ লকডাউন দেখানো হলেও কার্যকর হয়নি এখনও।
এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী দপ্তরের চূড়ান্ত নির্দেশনা পেলেই তা কার্যকর করা হবে। এদিকে, সংক্রমণের হার ভেদে লাল, সবুজ ও হলুদ এলাকা ভাগ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তবে, লাল চিহ্নিত এলাকায় লকডাউন ঘোষণার সব প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে দুই সিটি কর্পোরেশন।
করোনাভাইরাস প্রতিরোধে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকাকে লাল, হলুদ ও সবুজ- এই তিন রঙ্গে চিহ্নিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সে অনুযায়ী কোন এলাকায় ১৪ দিনের মধ্যে এক লাখে ৩০ থেকে ৪০ জন আক্রান্ত রোগী পাওয়া গেলে সেই এলাকাকে লাল রঙ চিহ্নিত এলাকা হিসেবে তা লকডাউন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
এরই মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে দেশের ৫০টি জেলার ৪শ উপজেলাকে সম্পূর্ণ লকডাউন দেখানো হচ্ছে। পুরোপুরি লকডাউন দেখানো হয়েছে ময়মনসিংহ, সিলেট ও রংপুর বিভাগকেও। আর ঢাকা মহানগরীর ৩৮ এলাকাকে আংশিক লকডাউন দেখিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট। যদিও বাস্তবে তা কার্যকর নয়।
লাল চিহ্নিত এলাকায় কোনো ধরনের যানবাহন চলাচল করবে না। সর্বসাধারণের চলাচল নিষিদ্ধ থাকবে। ওষুধ ও জরুরি খাদ্য ছাড়া সবধরনের দোকান বন্ধ রাখতে হবে। একইভাবে হলুদ চিহ্নিত এলাকায় সীমিত থাকবে যানবাহন ও সর্বসাধারণের চলাচল। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া অফিস-আদালত খোলা রাখা যাবে না। আর সবুজ চিহ্নিত এলাকায় সব কার্যক্রম চলবে। তবে মানতে হবে স্বাস্থ্যবিধি, রক্ষা করতে হবে সামাজিক দূরত্ব।
তবে, কোথাও এখনো লকডাউন কার্যকর করা হয়নি। রবিবার রাজধানীর ওয়ারী ও রাজাবাজার এলাকাকে লাল রঙে চিহ্নিত করে পুরোপুরি লকডাউন শুরু করার কথা বলা হলেও তা কার্যকর হয়নি। এলাকাবাসী বলছে এখনো তাদেরকে কিছুই জানায়নি স্থানীয় প্রশাসন।
জনপ্রতিনিধিরা বলছেন, লকডাউন কার্যকরের বিষয়ে সব ধরনের প্রস্তিতি নিয়েছে তারা। ইতিমধ্যেই এলাকায় মাইকিং করে জানানো হয়েছে বিষয়টি। সেইসাথে লকডাউনের সব এলাকাবাসীকে সহায়তা করবে স্বেচ্ছাসেবকদল।
দুই সিটি কর্পোরেশন বলছে, সবার সাথে সমন্বয় করে লকডাউন কার্যকরের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। এলাকা লকডাউন থাকলেও অসুস্থ রোগীদের জন্য বিশেষ অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস রাখার কথাও জানান দুই সিটির মেয়র।
-এ
