
ফাতেহ ডেস্ক
সমুদ্রপথে অবৈধভাবে বিদেশ পাড়ি দিয়ে ৬ বছর ধরে নিখোঁজ ঝিনাইদহের ১৯ যুবক। ভাগ্যের পরিবর্তন আনতে গিয়ে উল্টো অন্ধকার নেমেছে পরিবারে। তারা বেঁচে আছেন কি-না তাও জানেন না স্বজনেরা। দালালের অর্থ পরিশোধ করতে গিয়ে নিঃস্ব এখন তারা। ফিরিয়ে আনার কথা বলে এসব পরিবারের কাছ থেকে আরও টাকা হাতিয়ে নিয়েছে দালাল চক্র।
ঝিনাইদহের সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের নূরজাহান বেগম। এখনো অপেক্ষায় ছেলে জগত আলীর। জানালেন, স্ত্রী ও দুই মেয়েকে রেখে, ছয় বছর আগে দালালের খপ্পরে পড়ে কাউকে না জানিয়ে ঘর ছাড়েন তিনি। উদ্দেশ্য- সমুদ্রপথে মালেয়শিয়া যাওয়া।
কাছাকাছি সময়ে নিখোঁজ হন একই উপজেলার গাড়ামারা গ্রামের ৮ জন। এছাড়া মিয়াকুণ্ডু গ্রামের ৪ এবং রামচন্দ্রপুর ও পিরোজপুর গ্রামের ৩ জন করে আর মহামায়া গ্রামেরও একজন নিখোঁজ। প্রত্যেকের গল্প একই। স্বচ্ছলতার বদলে ক্ষুধা আর দারিদ্র্য নিত্যসঙ্গী পরিবারগুলোর।
জেলা প্রশাসক জানালেন, বিদেশ যাওয়ার পথে নিখোঁজদের বিষয়ে তিনি অবগত। পরামর্শ দেন, প্রশিক্ষণ নিয়ে বৈধভাবে বিদেশ যাওয়ার।
ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ বলেন, দক্ষ জনশক্তির জন্য প্রশিক্ষণ চলছে, অবৈধভাবে যাবেন না কেউ।
নিখোঁজদের স্বজনদের দাবি, টেকনাফের আব্দুর রহিম নামে একজন স্বজনদের ফিরিয়ে আনার কথা বলে বিভিন্ন পরিবারের কাছ থেকে টাকা নেন। এরপর যোগাযোগ বন্ধ করে দেন তিনি।
