
ফাতেহ ডেস্ক: আগামী ৩০শে ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করে যে তফসিল ঘোষণার করা হয়েছে, তা স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট করা হয়েছে।
জাতীয় সংসদ বহাল রেখে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা কেন অবৈধ হবে না তা জানতে চেয়ে আজ রবিবার অ্যাডভোকেট ইউনূস আলী আকন্দ এ রিট করেন।
রুল জারির নির্দেশনা আনুযায়ী ওই রুলের নিষ্পত্তি না হওয়ো পর্যন্ত আগামী জাতীয় নির্বাচনের তফসিল স্থগিতের নির্দেশনা চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। রিটে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা, আইন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিবসহ সাতজনকে বিবাদী করা হয়েছে।
বিচারপতি মঈনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে রিট আবেদনটি শুনানির জন্য উত্থাপন করার কথা রয়েছে।
রিট আবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমান সংসদে ৩০০ জন নির্বাচিত সদস্য আছেন। তাদের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে, নির্বাচন আনুষ্ঠিত হলে আরও ৩০০ জন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবেন। এতে করে সংসদে মোট সদস্য সংখ্যা দাঁড়াবে ৬০০ জন। যা সংবিধান সম্মত নয়।
রিট আবেদন সম্পর্কে ইউনুছ আলী আকন্দ বলেন, ‘সংবিধানের ৬৬ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, যারা সরকারি পারিশ্রমিক নেয় তারা নির্বাচনে আংশ নিতে পারবেন না। এবার সংসদ বহাল রেখে জাতীয় নির্বাচন আনুষ্ঠিত হচ্ছে। তাই সংসদের মন্ত্রী-এমপিরা পারিশ্রমিকও নিচ্ছেন। এ অবস্থায় তাদের সংবিধানে অংশ নেয়া সংবিধান বিরোধী।’
রিটে আরও বলা হয়, সংবিধানের ১২৩ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ ভেঙে দিয়ে নির্বাচন করার বিধান রয়েছে। কিন্ত তা না করে সংসদ বহাল রেখে নির্বাচন করা হচ্ছে। এতে করে নির্বাচনের পর দেশে দুটি সংসদ হয়ে যাবে। কিন্তু সংবিধানে একটি সংসদের কথা বলা আছে।
এছাড়া গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) ১২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ীও এটি বৈধ নয় বলেও জানান তিনি। এসব কারণ উল্লেখ করে রিট আবেদনটি করা হয়েছে।
