
ফাতেহ ডেস্ক: এক আসনে একাধিক মনোনোয়ন দিয়েও বিদ্রোহী প্রার্থী ঠেকাতে পারছে না বিএনপি। এরই মধ্যে নারায়ণগঞ্জ, কুষ্টিয়া, ভোলা, চাঁদপুরসহ বেশ কিছু আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তাদের মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা।
নীতিনির্ধারকেরা আশা করছেন, শেষ পর্যন্ত দলের স্বার্থে সরে দাঁড়াবেন তারা। তবে তৃণমূলের শঙ্কা, চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর এই অসন্তোষ আরো তীব্র রূপ নেবে।
একাদশ সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নের শুরু থেকেই বিদ্রোহী প্রার্থী ঠেকাতে সতর্ক বিএনপি। গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের সুযোগ কাজে লাগিয়ে দল মনোনীতের বিপরীতে কেউ যেন নির্বাচনে না আসে, সেজন্য বেশিরভাগ আসনেই রাখা হয় একাধিক প্রার্থী।
তারপরও রয়েছে অসন্তোষ। দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে নারায়ণগঞ্জ-৪, কুষ্টিয়া-দুইসহ বেশ কিছু আসনে স্বতন্ত্র হিসেবে মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে অনেকের।
বিএনপির মতো বড় দলে মনোনয়ন নিয়ে অসন্তোষকে স্বাভাবিক মনে করছেন দলটির জ্যেষ্ঠ নেতারা। দলের স্বার্থে শেষ বিদ্রোহীরা মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেবেন বলে আশা করছেন স্থায়ী কমিটির এই সদস্য।
তবে ধানের শীষের তৃণমূল নেতাকর্মীদের শঙ্কা, চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর এই অসন্তোষ আরও বাড়বে।
